আজ, মঙ্গলবার আর জি কর মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এদিন এই শুনানির লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করার আর্জি জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাঁর দাবী, লাইভ স্টিমিংয়ের ফলে তাদের আইনজীবীদের নানান সমস্যা পড়তে হচ্ছে, তাদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে সেকথা না শুনে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানান যে শুনানির লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করা সম্ভব নয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই চিকিৎসকদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং জানান, সিবিআই রিপোর্টে এমন কিছু নাম উল্লেখ রয়েছে যারা ক্রাইম সিনে ছিলেন, যে নামগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এও জানান, সে নাম এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সিবিআই স্ট্যাটাস রিপোর্টে সেই নাম রয়েছে।
এদিন প্রধান বিচারপতি জানান, নির্যাতিতার বাবা সিবিআইকে চিঠি দিয়েছেন গত ১২ সেপ্টেম্বর। বিচারপতির কথায়, সেই চিঠিতে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে, যা তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
তিনি জানান, “তিলোত্তমার বাবা, মা যে চিঠি দিয়েছেন, সেই চিঠিতে যে সম্ভাবনা এবং যে ইনপুট দিয়েছেন, সেই গুলো সিবিআই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখবে। ঠিক একই ভাবে রেসিডেন্ট ডাক্তাররা চিঠি দিয়ে সিবিআই-কে তথ্য দিতে চান সেটা সিবিআই খতিয়ে দেখবে। সলিসিটর জানিয়েছেন, জানিয়েছেন তারা নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং তদন্তের বিষয়ে জানাবেন”।
ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছিলেন, “যেভাবে প্রথম থেকে সমস্তটা হয়েছে, তাতে একজনের পক্ষেই সবটা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। প্রথমে পুলিশি তদন্তের ওপর আশ্বাস রেখেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন। কিন্তু পুলিশি তদন্ত এগোয়নি। সুপ্রিম কোর্ট মনে করে সিবিআই-কে তদন্তভার দিয়েছে”। আর জি কর মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের কাছে যাওয়ার পর তিনি সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিলেন। এদিন আদালতে সেই চিঠির বিষয়েই উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি।





