আগে রুদ্রনীল আর এখন সুকান্ত! শ্যামবাজারে বিজেপির ধর্নামঞ্চ থেকে গ্রেফতার করা হল সুকান্ত মজুমদারকে, তরুণী চিকিৎসকের জন্য ন্যায় বিচার চাওয়াই অপরাধ?

আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় বাংলা জ্বলছে। দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ, আন্দোলন। মহিলারা নেমেছেন রাস্তায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার শ্যামবাজারে ধর্না প্রতিবাদ করে বিজেপি। সেই ধর্না স্থল থেকেই এবার আটক করা হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে।  

আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার ধর্না কর্মসূচির ডাক দেয় বিজেপি। শ্যামবাজারের ১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের গেটের সামনে বাধা হয়েছিল গেরুয়া শিবিরের ধর্না মঞ্চ। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে বাধা হয় এই মঞ্চ।

কিন্তু আজ, শুক্রবার সকালে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা দেখেন যে সেই মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ওই জায়গায় ফের মঞ্চ বাধা হয়। কিন্তু তা করতে বাধা দেয় পুলিশ। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছন রুদ্রনীল ঘোষ। ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক কীর্তনিয়ারাও। পরে যোগ দেন সুকান্ত মজুমদারও।

ধর্নায় বসেন তারা। কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে পুলিশ ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আটক করে পুলিশ। তাদের টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। সেই সময় আটক করা হয় রুদ্রনীল ঘোষ ও অশোক কীর্তনিয়াকেও।

এরপরই উত্তাল হয় পরিস্থিতি। ধীরে ধীরে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাড়তেই থাকে বিজেপি। শেষ পর্যায়ে গিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির নীচে শুয়ে পড়েন এক বিজেপি কর্মী। তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বার করা হয়। পুলিশের গাড়ি চলেছে লালবাজারের দিকে।  

আরও অন্যান্য খবর