BREAKING: আর জি কর কাণ্ডে মুখ খোলার পর থেকেই একের পর এক ছাঁটাই, এবার আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদ খোয়ালেন শান্তনু সেন

আর আগে আর জি কর কাণ্ডে মুখ খোলার জন্য দলের মুখপাত্রের পদ থেকে সরানো হয়েছিল শান্তনু সেনকে। এবার ফের আরও এক পদ গেল তাঁর। বেশ গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে শান্তনুকে সরিয়ে দিল তৃণমূল। এভাবেই কী কী দলে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন তিনি, উঠছে প্রশ্ন।

আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য উত্তাল। দিকে দিকে যখন তীব্র প্রতিবাদ চলছে সেই সময় প্রথমের দিকে এই ঘটনায় মুখে কুলুপই এঁটেছিলেন শান্তনু সেন। তবে পরবর্তীতে মুখ খোলেন তিনি। আর এরপরই দলের মুখপাত্রের পদ থেকে সরানো হয় তাঁকে। এবার গেল আর এক পদ।

জানা গিয়েছে, এবার শান্তনু সেনকে পুরসভার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ থেকে সরানো হয়েছে। এমনকি কলকাতা পুরসভায় তার ঘরের বোর্ডও খুলে ফেলা হয়েছে বলে খবর। আর জি কর কাণ্ডের জেরেই কী এমন সিদ্ধান্ত? যদিও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দাবী, এমন কোনও পদ নাকি ছিলই না কখনও। এমনকি, তৃণমূল কাউন্সিলরদের হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শান্তনু সেনের স্ত্রী কাকলি সেনকে।  

প্রসঙ্গত, দলের মুখপাত্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন শান্তনু সেন। নিজের এই পদ হারানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই দলে আমার থেকে অনেক নবীন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে আমাকে সরানোর বার্তা শুনতে হচ্ছে। আমি দলের পুরনো দিনের সৈনিক। অথচ এই দলে যারা বারবার দলবদল করে, একবার ওই দল একবার এই দল করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালিগালাজ করে, তাঁরা দলে ঢুকে নেতা হয়ে যাচ্ছে। অথচ পরিষ্কার কথা বললেই ক্ষতি”।

আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শান্তনু সেন বলেছিলেন, তাঁর মেয়েকে তিনি আর জি করে নাইট ডিউটিতে পাঠাবেন কি না সন্দেহ রয়েছে। এরপর সেখানকার পড়াশোনা নিয়েও অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেছিলেন, “আমি আরজি করের প্রাক্তনী। আমার মেয়ে সেখানে পড়ে। আরজি করে মেডিক্যাল এডুকেশন গত কয়েক বছরে রসাতলে গিয়েছে। কয়েক জনকে খুশি করতে পারলে প্রশ্ন জানা যায়। উত্তর হাতে নিয়ে হলে ঢোকা যায়, টোকাটুকি করা যায়”।  তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি আর জি কর নিয়ে দলের পক্ষে মুখ খুলবেন না। তবে তাঁর মন্তব্যের পরই তাঁকে সরানো হয় মুখপাত্রের পদ থেকে। আর এবার গেল শান্তনুর আরও এক পদ।   

আরও অন্যান্য খবর