কথা অনুযায়ী কাজ! অবশেষে প্রকাশ্যে রাজভবনের সিসিটিভি ফুটেজ, ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটের ফুটেজে কী ছিল? রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লী’ল’তা’হা’নির অভিযোগ ঘুচল?

Raj Bhavan released CCTV footage: রাজ্যপালের বিরুদ্ধে উঠেছিল শ্লীলতাহানির অভিযোগ। সেই নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়। রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার দেখানো হবে রাজভবনের সিসিটিভি ফুটেজ। অবশেষে সামনে এল সেই ভিডিও (Raj Bhavan released CCTV footage)। এই ফুটেজ সামনে আসার পর কী নির্দোষ প্রমাণিত হলেন রাজ্যপাল?

এদিন রাজভবনের তরফে যে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয়েছে, তা তিন ধাপে দেখিয়েছে রাজভবন কর্তৃপক্ষ (Raj Bhavan released CCTV footage)। প্রথম ফুটেজের সময় বিকেল ৫.৩১ মিনিট থেকে ৫.৪২ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় ফুটেজের সময় ৫.৩২ মিনিট থেকে ৬.৩২ মিনিট পর্যন্ত। তৃতীয় ফুটেজটি ৬.৩২ মিনিট থেকে ৬.৪১ মিনিট পর্যন্ত। 

ওই ফুটেজে প্রথমে দেখা যায়, অভিযোগকারিণী মহিলা  ৫.৩২ নাগাদ পুলিশ আউট পোস্টে ঢুকছেন। প্রায় ৮ মিনিট তিনি ছিলেন সেখানে। এরপর ৫.৪০ মিনিটে তিনি আউট পোস্ট থেকে বেরিয়ে রাজভবনের ওসির রুমে যান। সেখানে পুলিশ ও অন্যান্য মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটের এই ফুটেজে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী মহিলাকে মোট দু’বার দেখা গিয়েছে (Raj Bhavan released CCTV footage)।  ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সেখানে  বিশাল সংখ্যক পুলিশ রয়েছে। কারণ সেদিন রাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসার কথা ছিল।

তৃণমূল দাবী করেছিল, রাজ্যপাল অভিযোগকারিণী মহিলাকে দু’বার শ্লীলতাহানি করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আনার চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। তবে রাজভবনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, সেই সিসিটিভি ফুটেজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশকে দেখানো হবে না।  রাজভবনের তরফে জানানো হয়, এই সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হবে সাধারণ মানুষকে (Raj Bhavan released CCTV footage)। ১০০ জনকে এই ফুটেজ দেখার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এদিন রাজভবনের আমন্ত্রণে সাড়া দেন প্রায় ৭৫ জনের বেশি।

এদিকে আবার এদিন সকালেই রাজভবনের স্থায়ী–অস্থায়ী কর্মীদের রাজ্যপাল জানান, তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির প্রেক্ষিতে পুলিশ যদি কোনওরকম তথ্যচায়, তাহলে যেন তা না দেওয়া হয়। তাঁর সাফাই, সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি পদক্ষেপ করা যায় না।

যদিও ইতিমধ্যেই লালবাজারের পক্ষ থেকে এই ইস্যুতে তদন্ত করা হচ্ছে। তাতে অখুশি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই কারণেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ যে অনুসন্ধান করছে তা আসলে বেআইনি। সংবিধানের ৩৬১ ধারা অনুযায়ী রাজ্যপালের রক্ষাকবচের কথা স্মরণ করিয়ে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যাতে দ্রুত অনুসন্ধান বন্ধ করা হয়।

RELATED Articles