আজ, বৃহস্পতিবার, ডায়মন্ড হারবারে কর্মসূচীতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় হামলা চালানো হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে। এই হামলার ঘটনাকে কটাক্ষ করে বিশ্রি মন্তব্য করেন তৃণমূল স্থানীয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার আরামবাগের একটি জনসভায় জে পি নাড্ডার কনভয়ে হওয়া হামলার বিষয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, নাড্ডার কনভয়ে হওয়া হামলা আর কিছুই নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এদিন সভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আজ বিজেপির জেপি নড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে গাড্ডায় পড়েছে। তা আমি কী করতে পারি? সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের দায়িত্ব তো আমার নয়”।
এই বিক্ষোভের জন্য নিজের যুক্তি খাড়া করে যুব তৃণমূল সভাপতির বলেন, “লকডাউনের সময় কেউ মানুষের খোঁজ নেননি। জিএসটি, নোটবন্দি করে মানুষের জীবনে অন্ধকার এনেছে তারা। একদিনও খোঁজ নেননি। লকডাউনের সময় কোন নেতাকে খোঁজ নিতে দেখেছেন আপনারা? ক’বার লকডাউনে মানুষের পাশে দেখতে পেয়েছেন? একমাত্র যদি কেউ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে, তিনি হলেন কালীঘাটে টালির ছাদেরতলার সেই মহিলা”। এদিন আরামবাগের সভায় দাঁড়িয়ে এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সাংসদ।
তিনি এত কথা বললেও এই হামলা যে তৃণমূলের তরফেই করা হয়েছে তা বেশ স্পষ্ট। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় পরিষ্কার ধরা পড়েছে যে তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়েই বিক্ষোভকারীরা আক্রমণ করে জে পি নাড্ডার গাড়িতে। এমনকি, হামলার সময় বিজেপির উদ্দেশ্যে মাইকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক ও কুরুচিকর মন্তব্যও করতে শোনা গিয়েছে সেইসমস্ত বিক্ষোভকারীদের।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে একাধিকবার তাঁর গাড়ি আটকানো হয়। এরপর শিরাকোল এলাকায় তাঁর কনবভয়ে হামলা চালানো হয়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। এর জেরে একাধিক বিজেপি কর্মী ও সংবাদমাধ্যমের গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। আহত হন একাধিক বিজেপি নেতা-সহ সাংবাদিকরাও। তবে নাড্ডা বুলেটপ্রুফ গাড়িতে থাকায় তাঁর বা তাঁর গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি।





