মহিলাদের উপর নির্যা*তন, বাংলাদেশে অ’সহায় হিন্দুরা! প্রাণ বাঁচাতে ধর্ম বদলাতে বাধ্য হচ্ছে সংখ্যালঘুরা, ন্য*ক্কারজনক পরিস্থিতি ওপার বাংলায়

বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি চলছে বর্তমানে, তা বিশ্বের ইতিহাসে এক কালো, লজ্জাজনক অধ্যায়। হিন্দুদের উপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে সেদেশে। হিন্দু মহিলাদের উপর নির্যাতন, মন্দির ভাঙচুর, হিন্দুদের ঘরবাড়িতে আগুন লাগানো, মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো, এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে ওপার বাংলায়। ভারত-সহ নানান দেশের তরফেই কড়া বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এই ঘটনায়, কিন্তু তাও উদাসীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকার।

বাংলাদেশের এই বর্তমান পরিস্থিতিকে ন্যক্কারজনক বলে দাগলেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির প্রদেশ অধ্যক্ষ মহামণ্ডলেশ্বর পরমাত্মানন্দজী মহারাজ। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাংলাদেশে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে মহিলাদের উপর চলছে অত্যাচার, মিথ্যে মামলায় হিন্দুদের ফাঁসানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, “হিন্দুদের ওপর প্রতি মুহূর্তে যে ভাবে প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছে, তাতে আর বাংলাদেশকে বাংলাদেশ বলা যাচ্ছে না। ওটা একটা হামলা দেশ”। মহামণ্ডলেশ্বর পরমাত্মানন্দজী মহারাজের দাবী, বাংলাদেশে এখন হিন্দুরা অসহায় হয়ে পড়েছে। যারা নিরীহ, যাদের কোনও ক্ষমতা নেই, যাদের অন্যত্র যাওয়ার কোনও জায়গা নেই, তারা প্রাণ বাঁচানোর জন্য ধর্ম বদলাচ্ছেন সেদেশে।

মহারাজের কথায়, নিজেদের প্রাণ রক্ষা করার জন্য ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য হচ্ছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা। শ’য়ে শ’য়ে মানুষ ধর্মান্তরিত হওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, “এটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অন্তরের যোগাযোগ”।  

আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে লড়ছিলেন আর জি করের নির্যা*তিতার মা’মলা! কিন্তু হঠাৎ কেন মা*মলা থেকে সরলেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার? কী কারণ? 

পরমাত্মানন্দজী এও প্রশ্ন তোলেন কে ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও ভারতের মতো এমন একটা শক্তিশালী দেশের বিরুদ্ধে কেন উস্কানি দিচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, “যে দেশ আলু-পেঁয়াজ ফলাতে পারে না, রফতানি বন্ধ হলে যারা না খেয়ে মরে যাবে, তাদের এই বাড়বাড়ন্ত দেখে, একটাই কথা বলতে ইচ্ছা করে, পিপিলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে”।

RELATED Articles