বাংলা এখন শুধুই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র নয়, শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও দেশ তথা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। রাজ্যের সার্বিক উন্নতি, শিল্পবান্ধব পরিকাঠামো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে তোলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অন্যতম সাফল্য। সারা দেশের শিল্পপতিদের নজর এখন বাংলায়। শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগ, রপ্তানি বৃদ্ধি, এবং নতুন উদ্যোগের পথে হাঁটার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই বাংলা রাজ্যগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছে। এই উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতেই বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন।
নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আজ থেকে শুরু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট (Bengal Business Summit)। এবারের সম্মেলনের মূল আকর্ষণ মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani), সজ্জন জিন্দালসহ একাধিক দেশের শিল্পপতিদের উপস্থিতি। বিদেশি প্রতিনিধিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আফ্রিকার কেনিয়া ও কঙ্গো থেকে আগত প্রতিনিধিরা। এছাড়া জাপান ও জার্মানির প্রতিনিধিরাও থাকছেন। রাজ্যের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নিউ টাউন থেকে মা উড়ালপুল পর্যন্ত আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে।
আজকের সম্মেলনের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূল অনুষ্ঠানের আগে তিনি দুই গুরুত্বপূর্ণ বণিকসভার সম্মেলনে যোগ দেবেন। সম্মেলনের আগেই মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “এটা খুব ইউনিক যে এত দেশ অংশ নিতে আসছে। আমি মানুষের চোখ দিয়ে সব কিছু দেখি। সম্মেলন কত বড় হবে মানুষ বলবে। সবাইকে বাংলায় স্বাগত।” তাঁর এই বার্তা ইতিমধ্যেই দেশ ও বিদেশের শিল্পমহলে আলোড়ন ফেলেছে। সম্মেলনকে ঘিরে শিল্পপতিদের উৎসাহ রাজ্যের ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের ক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে।
বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তৎপর। প্রায় সাড়ে ৪০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে থাকছেন তিনজন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। সঙ্গে বিধাননগরের নগরপালও দায়িত্ব সামলাবেন। সম্মেলনে মুকেশ আম্বানি সহ শীর্ষ শিল্পপতিরা উপস্থিত থাকবেন বলে নিরাপত্তার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাজ্যের শিল্প প্রতিনিধিদের পারস্পরিক যোগাযোগ গড়ে তোলার সুযোগও থাকছে।
আরও পড়ুনঃ মহাশিবরাত্রিতে শিবের কৃপায় বদলে যাবে তিনটি রাশির ভাগ্য! মিলবে সুখ ও সমৃদ্ধি!
তবে এবারের সম্মেলনের বড় চমক মুকেশ আম্বানির উপস্থিতি। বুধবারই তিনি কলকাতায় পা রাখছেন। বাংলা শিল্পায়নের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পে তাঁর বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে খবর। পাশাপাশি আফ্রিকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাজ্যের আন্তর্জাতিক ব্যবসার নতুন পথ খুলে দিতে পারে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটি সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!