করোনা আবহেই শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা বাংলার মাথায়! প্ল্যাটিনাম পদক জিতে ভারতসেরা পশ্চিমবঙ্গ!

তাঁর নিজের রাজ্য তাঁকে যতই অপদস্থ করুক কেন‌ও, যত সমালোচনাই হোক না কেন‌ও তাঁকে ঘিরে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হোক বা জাতীয় স্বীকৃতি কোন‌ও কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সামনে। আর তাইতো বারবার ছিনিয়ে আনেন শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা। আর এবার দেশের মধ্যে সেরা মমতা; করোনা আবহেই শ্রেষ্ঠত্বের সম্মান পেলো বাংলা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। তাঁকে সদা কটাক্ষ করতে তৈরি প্রতিদ্বন্দ্বীরা। তবে করোনাকে ঠেকাতে তাঁর একান্ত প্রচেষ্টার বিরাম নেই। আর তাই হয়তো বারবার স্বীকৃতি ঢোকে তাঁর ঘরে।

সম্প্রতি দিল্লির একটি বেসরকারি সংস্থা স্কোচ ফাউন্ডেশন; নাগরিক অভিযোগ নিরসনে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মানে ভূষিত করেছে পশ্চিমবঙ্গের দফতরকে। ২০১৯ সালে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে তৈরি করা হয়; পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেম। সেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন; মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের অভিজ্ঞ অফিসাররা। তারপর তা সমাধানও করা হয়।

ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের অভিযোগের ৯৫ শতাংশ সমাধান করে রেকর্ড গড়েছে; মমতার এই দফতর। সেই ফাউন্ডেসনের সফলতাই জাতীর সেরা সম্মান তুলে দিয়েছেন মমতার হাতে। করোনার আবহেও নিজের দফতরের দেশের মধ্যে; সেরা হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির একটি বসেরকারি সংস্থা স্কোচ ফাউন্ডেশনের বিচারে; সারা দেশের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে থাকা একটি দফতর; শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল। এই ফাউন্ডেশনটি দেশের রাজ্যগুলিকে ভালো প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য; স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।

পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেম বাংলাতে স্বীকৃতি এনে দিল। প্রতি বছরই দিল্লির ওই সংস্থা সেরা ১৪টি দফতরকে বেছে নিয়ে প্ল্যাটিনাম; তিনটি সোনা ও ১০টি রূপোর পদক দিয়ে সম্মানিত সেই করে দফতরকে। এবার তাদের বিচারে সেরার সম্মান পেয়েছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর। জিতে নিয়েছে প্ল্যাটিনাম পদক।

আরও অন্যান্য খবর