এমনটাও হয়! শুধুমাত্র টেবিল-চেয়ারই নয়, চুরি টয়লেটের প্যানও, পঞ্চায়েত ভোটে স্কুলগুলিতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা

গত সপ্তাহে কেটেছে পঞ্চায়েত ভোট। এই ভোটকে কেন্দ্র করে কী না দেখেনি বাংলার মানুষ। হিংসা, মারামারি তো বটেই, কোথাও কেউ ব্যালট পেপার খেয়ে নিচ্ছে, কোথাও আবার কেউ ব্যালট বক্স নিয়ে দৌড় দিচ্ছে, এমন নানান ঘটনা ঘটেছে।

এখানেই শেষ নয়, এবার আবার স্কুলের টয়লেটের প্যান চুরির অভিযোগও উঠল। রাজ্যের অন্তত ২০০টি স্কুলে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সেই তালিকা এবার পাঠানো হল নবান্নে।

পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে নানান হিংসার ঘটনার খবর উঠে আসতে থাকে। ভোটের দিন ও ভোট গণনার দিন তা চূড়ান্ত মাত্রা নেয়। পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে প্রাণ গিয়েছে ৫০-এরও বেশি মানুষের। এখনও জারি রয়েছে হিংসা। এরই মধ্যে এবার নানান ভোট কেন্দ্র থেকে চুরির ঘটনা সামনে এল।

ঠিক কী অভিযোগ?

মূলত প্রাথমিক স্কুল বা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতেই পঞ্চায়েত ভোট হয়ে থাকে। ভোটের পর স্কুল জেলাশাসকদের কাছ থেকে শিক্ষ দফতর জানতে চেয়েছে বিদ্যালয়গুলিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত। সেখানে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে ১৩৫টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।

এর পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরের ২৮টি স্কুলে ভাঙচুর করা হয়েছে। আবার মালদার ২০টি ও কোচবিহারের ১০টি স্কুলে ও হাওড়ার দুটি স্কুলে ভাঙচুর করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দরজা-জানালা ভাঙচুরের পাশাপাশি ইলেকট্রিক বোর্ড, গ্যাস সিলিন্ডার, মিড-ডে মিলের সরঞ্জাম, এমনকী বাথরুমের প্যান চুরি হয়ে গিয়েছে। নবান্নকে যে তথ্য পাঠানো হয়েছে, তাতে জানা যাচ্ছে, নানান স্কুলগুলিতে সব মিলিয়ে মোট ৩৬ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮১৩ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে।

আরও অন্যান্য খবর