বর্তমানে রাজ্যে যে বিতর্কটি সবথেকে বেশি মাথাচাড়া দিয়েছে, তা হল নিয়োগ ক্ষেত্রে দুর্নীতি (corruption)। নানান ক্ষেত্রেই নিয়োগে দুর্নীতি ধরা পড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি (SSC Scam Case)। এই দুর্নীতিতে রাজ্যের একাধিক নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়েছে। এর জেরে বেশ চাপের মধ্যে শাসকদল (TMC)।
এই দুর্নীতির মাঝেই বাম আমলের দুর্নীতি নিয়ে সিপিএমের দিকে আঙুল তুলেছে তৃণমূল। আর সেই আক্রমণের ঝাঁঝ যেন আরও বেশি তীব্র হয় একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে। গতকাল, শহিদ সমাবেশে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বামনেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে তোপ দাগেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই তোপের পাল্টা মমতাকে কটাক্ষ শানালেন বামনেতা।
গতকাল, বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় শহিদ সমাবেশে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শিক্ষক নিয়োগ-সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের চাকরির নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে বিজেপির পাশাপাশি সিপিএম সহ পূর্বতন বাম সরকারকেও সমান ভাবে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাকে অনেকেই বলেছেন, সিপিএমের আমলে এক একটা চাকরি দশ লাখ, পনেরো লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে৷ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে, নাহলে আমাদেরও ১৭ হাজার পদ তৈরি রয়েছে”। এই বিষয় নিয়ে বামনেতা বিকাশরজন ভট্টাচার্যকে কটাক্ষ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
মমতার সেই কটাক্ষের জবাব দিয়ে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কথার কোনরকম সত্যতা নেই, তাই এই প্রসঙ্গে আমি মানহানির মামলা করব না। উনি পাগল হয়ে গিয়েছেন বলেই এরকম মন্তব্য করে চলেছেন। চাকরি দেওয়ার জন্য ওরা টাকা নিয়েছিল, কিন্তু এবার চাকরি চলে যাওয়ার কারণে তা ফেরত দিতে হবে। আর সে কথা ভেবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে চলেছেন”।
এরপরই মমতার উদ্দেশে আক্রমণ শানিয়ে বামনেতা বলেন, “১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করতে পারলে করুক, না হলে পাগলা গারদে যান”। পরবর্তীতে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বিকাশরঞ্জন বলেন, “বর্তমানে বাংলায় গরিব মানুষের কাছ থেকে অসংখ্য টাকা লুঠ করা হয়েছে। সেই টাকা কি করে বের করতে হয়, তা আমার জানা আছে। আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হচ্ছে, পারলে তা প্রমাণ করে দেখাক”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার