আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শাসক শিবিরের অত্যাচার, এমনটাই বলছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর হানা হচ্ছে বর্বরোচিত আক্রমণ। গতকাল বিকালে কাঁথির রামনগরে এক বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে শোরগোল তৈরি হয়েছিল। তার রেশ মিটতে না মিটতেই আজ মথুরাপুরে আরও এক বিজেপি নেতার লাশ উদ্ধার ঘিরে সরগরম হল রাজ্য রাজনীতি।

মথুরাপুর লোকসভার অন্তর্ভুক্ত, ১৩২-সাগর বিধান সভার অন্তর্গত সাগর মণ্ডল-১ এর ঘোড়ামারা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২-নং বুথের সম্পাদক ছিলেন গৌতম পাত্র। তাকে আজ ভোর বেলায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
বিজেপির দাবি তাঁকে আজ ভোর বেলায় কিছু লোকজন ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। তারপর এই ঘটনা ঘটে। স্বাভাবিকভাবে গোটা ঘটনায় আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, গৌতম বাবু একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। দলের প্রতি একনিষ্ঠ হওয়ার কারণেই তৃণমূলের লোকজন তাঁকে খুন করেছে।
জানা গিয়েছে গৌতম বাবু তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন। গোটা ঘটনায় তাঁর পরিবার আতঙ্কিত এবং তাঁরা বুঝতে পারছেন না এখন তাঁরা কী করবেন।
যদিও গোটা ঘটনার দায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের উপর আক্রমণ এবং খুন করার অভিযোগ উঠছে তৃণমূল সদস্যদের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূলের দাবি এই সকল ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের কিন্তু রাজ্যজুড়ে বারংবার বিজেপি সমর্থক ও কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অন্য কথা বলছে।





