জ্যোতিপ্রিয় গড়ে দাঁড়িয়ে বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে শাসক দলকে ‘ঝেঁটিয়ে বিদায়’ করার পরামর্শ দিলীপ ঘোষের!

ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনীতি। ফিরছে রক্তের ‌ রাজনীতির স্মৃতি। ‌বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন‌ই এখন শাসক-বিরোধী সব দলের পাখির চোখ। আর যা ঘিরেই বাংলায় উত্তেজনা , গুঞ্জন, জল্পনা এখন চরমে। হিংসাত্মক হোক বা রক্ষণাত্মক জিততে হবে। ‌‌‌হিংসার জবাব হিংসাতেই ফেরাতে হবে। মনে করছেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তাই বাংলায় ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

বঙ্গ বিজয়ের বিষয়ে তত‌ই প্রত্যয়ী হয়ে উঠছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। এই আবহে আরও একবার রাজ্য দখলের বিষয়ে আক্রমনাত্মক মন্তব্য শোনা গেল বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়। বাংলার আপামর জনতাকে বর্তমান শাসকদল তৃণমূলকে ঝেঁটিয়ে রাজ্য থেকে বিদায় করার পরামর্শ দিলেন তিনি।

আজ অর্থাৎ শুক্রবার সকালে আসন্ন ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “একুশের ভোটেই দেখা যাবে কী হয়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঝাড়ু দিয়ে তৃণমূলকে আগামী মে মাসে পরিষ্কার করবে।”

খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত। বারংবার বিভিন্ন ইস্যুতে জ্যোতিপ্রিয়কে নিশানা করে থাকেন তিনি। আর এবার খোদ জ্যোতিপ্রিয় গড়ে দাঁড়িয়ে দিলীপ ঘোষ বললেন, “আমার বাক্যবাণ ওরা হজম করতে পারছে না। সত্য বলার কেউ নেই।” পাশাপাশি সিউড়িতে ‘হামলা’ প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “যাদের মনটা দূষিত তারা সব জায়গায় নোংরা দেখেন। বাংলাকে দূষিত করে দিয়েছেন তারা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করবে আগামী মে মাসে।”

যোগদান মেলা কর্মসূচিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার রাতেই বনগাঁ শহরের পা রেখেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে কয়েকশো কর্মী নিয়ে প্রাতঃভ্রমণে বেরোন তিনি। বনগাঁ পিডব্লুডি বাংলো থেকে বেরিয়ে মতিগঞ্জ, বাটামোড় হয়ে ত্রিকোণ পার্কের নীলদর্পন ভবনের সামনে এসে শেষ হয় প্রাতঃভ্রমণ। নীলদর্পন ভবনের সামনে বসে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে চা খান তিনি।

আরও অন্যান্য খবর