এবার করোনা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে চাপ দিতে উদ্যোগী হলেন রাজ্য বিজেপি।করোনা নিয়ে একাধিকবার নবান্নের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতারা। এবার করোনা সমস্যা মেটাতে হেল্প লাইন চালু করল বঙ্গ বিজেপি। যা একদিকে যেমন করোনা মোকাবিলাতে সাহায্য করবে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সাথে জনসংযোগের ভিত-কে আরও মজবুতও করবে, এমনই মনে করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রান্ত কোনও সমস্যার সমাধান করতেই নতুন হেল্প লাইন চালু করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের স্বার্থে। ৯৭২৭২৯৪২৯৪ – এই নম্বরে ফোন করলেই পাওয়া যাবে সাহায্য। তাদের বক্তব্য, ‘বিজেপি বাংলার পাশে, বাংলার মানুষের সাথে’। বিজেপি নেতাদের মতে, করোনা প্রতিরোধে নিজেদের ব্যর্থতাকে লুকনোর জন্যই মিথ্যা কথা বলছে রাজ্য সরকার। তারা রাজ্যে করোনা সংক্রমন কিংবা মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান দিচ্ছেন না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে পরিবারকে না জানিয়ে মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে এমনই নানা অভিযোগে করেছে বঙ্গ বিজেপি। এবার রাজ্যের এইসব কারচুপি ধরতে এবং সব মিথ্যের অবসানে তাঁরা হেল্পলাইন নম্বর চালু করল। সেখানে মানুষকে রাজ্যের সঠিক করোনা পরিস্হিতি জানাবে রাজ্য বিজেপি।
রাজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সবাই যখন করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে, তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকার কেন্দ্র ও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে লড়াইতে ব্যস্ত রয়েছে।’’ তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলার মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি সব কিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। তাঁর মতে রাজ্য সরকার করোনা রুখতে ব্যর্থ। সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করলে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এগিয়ে যাবে বাংলা। এখনো করোনার পরীক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রাজ্যে। রাজ্যে পরিস্থিতি যেভাবে দিন দিন খারাপ হচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে আধা সেনার সাহায্য নিক রাজ্য। এমন পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, দিল্লিতে গিয়ে কোয়ারান্টাইনে রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা। রাজ্যে আসা ওই কেন্দ্রীয় দলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৬ জন বিএসএফ জওয়ান ও গাড়ির চালক করোনা সংক্রামিত ছিলেন। বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের এ রাজ্যে ফেরানোর তাগিদ রাজ্য সরকারের নেই বলেও মনে করেন দিলীপবাবু। তাঁর কথায়, কেন্দ্রীয় সরকার তো মাত্র ১৫ শতাংশ খরচ রাজ্যগুলির কাছ থেকে চেয়েছে। তাতেও কি রাজ্য তা দিতে অক্ষম?





