বাংলায় ফের বিজেপি কর্মীকে (BJP worker) খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। স্বভাবতই বিজেপির তরফ থেকে এই খুনের পিছনে তৃণমূলের (TMC) জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে, এবং একই সঙ্গে ইতিমধ্যেই শাসকদল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের একনিষ্ঠ বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন মৃত বাচ্চু বেরা।
গতকাল অর্থাৎ দশমীতে গাছে ঝোলানো অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গলায় গামছা বাঁধা অবস্থায় দেহ পাওয়া গেলেও, কোমর থেকে পা পর্যন্ত মাটির সঙ্গেই লেগে রয়েছে। এর থেকে প্রাথমিকভাবে এলাকার বাসিন্দাদের অনুমান, তাঁকে খুন করে গাছে ওইভাবে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগেও ২০১৯-এ দাঁতনে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় বিজেপি কর্মী বর্ষা হাঁসদার দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই সময় বিজেপি অভিযোগ করেছিল রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই সেই হত্যা। সম্প্রতি বাংলায় বেশকিছু বিজেপি নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে একই ভাবে গাছে গলায় দড়ি বাঁধা অবস্থায় দেহ ঝুলছে। গত লোকসভা ভোটের সময় থেকে চলছে এই ঘটনা। ২০১৯-এর এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে পুরুলিয়ার আড়শার সেনাবোনা গ্রামে গাছে ঝুলে থাকা অবস্থায় বিজেপি কর্মী শিশুপাল সহিসের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এই বছরের ১৩ই সেপ্টেম্বর আরামবাগের গোঘাটে সক্রিয় বিজেপি কর্মী গণেশ রায়কে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। বিজেপির অভিযোগ ছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করে তাঁকে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে। গত বছরের অগাস্টে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার নারেঙ্গা দিঘি গ্রামে গাছে ঝোলানো অবস্থায় বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে গাছে ঝোলানো অবস্থায় বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর পরম্পরা চলে আসছে যদিও এইসব ঘটনার সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার খবর অস্বীকার করেছে তৃণমূল।





