নানান খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে নেশার করিয়ে শ্যালিকাকে লাগাতার ধ’র্ষ’ণ করার অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত জামাইবাবু। বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবী করেছে প্রতিবেশীরা। নাবালিকাকে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলসিপাড়ায়। ধৃতের নাম রাজকুমার সরকার। বয়স বছর ৪৮ হবে। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি নিজের শ্বশুরবাড়িতেই থাকেন। নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। তার মা রায়গঞ্জ পুরসভায় কাজ করেন।
নির্যাতিতার মা জানান, “আমি মেয়েকে বাড়িতে একা রেখেই কাজে যেতাম। মাঝে মাঝে বাড়ির লাগোয়া নিজের পানের দোকানে বসত মেয়ে। পাশেই আমার ভাসুরের বাড়ি। আগে একই বাড়িতে থাকতাম। তারপর ভাগ হয়ে যায় বাড়ি। সেই বাড়িতে ভাসুরের মেয়ে ও তাঁর স্বামী থাকেন। আমার অনুপস্থিতিতে মেয়েকে ছানার পায়েস-সহ নানা খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ করত। গত ১৭ নভেম্বর নেশাতুর অবস্থায় তাকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়। বুধবার সকালে মেয়ের পেট ব্যথা করছে বলেই জানায়। তখনই জানতে পারি”।
ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবেশীরা
এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। নির্যাতিতা ও তার মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা। এক প্রতিবেশী বলেন, “অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। তাই প্রতিবেশী হয়ে নির্যাতিতার পরিবারের পাশে আছি”।
এই ঘটনায় খবর দেওয়া হয় পুলিশে। নির্যাতিতা নাবালিকাকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিষয়ে রায়গঞ্জের পুলিশ সুপার সানা আকতার বলেন, “কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে”।





