কারা আসছে? এগিয়ে আসছে বাংলাদেশিরা, সীমান্তে নয়া র’ণকৌ*শল ভারতের, বাড়ল নিরা*পত্তা, ভয়ে কাঁ’পবে ওপার বাংলা

বাংলাদেশে অশান্তি যেন কম হতেই চাইছে না। সেদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে। তা নিয়ে ভারতের তরফে কড়া হুঁশিয়ারি জারি করা হলেও তাতে যেন কোনও হেলদোলই নেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকারের। কখনও কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারি, কখনও ভারতের মানচিত্র বদলের হুমকি তো কখনও আবার ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল দখল করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের তরফে। এবার সীমান্তে টহলদারি বাড়াল ভারত।

বাংলাদেশের তরফে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্য দখলের হুঁশিয়ারির পর থেকে বিএসএফ বাড়তি নজর রাখা শুরু করেছে সীমান্তে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বড় অংশের সীমান্ত রয়েছে। কিন্তু সেই বড় অংশে নেই কাঁটাতার। ফলে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বেড়েছে। সেই কারণে কাঁটাতারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।  

জানা গিয়েছে, ঢাকা থেকে ভারত সীমান্তের দিকে বিএনপির (বাংলাদেশ ন্যাশানালিস্ট পার্টি) তিন সংগঠন লংমার্চ করছে। এই  বিএনপির তিন সংগঠন রয়েছে এই লংমার্চে। যুব-ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক। তবে বিএনপির মূল সংগঠন কর্মসূচিতে সরাসরি নেই। এদিন সন্ধে নাগাদ নারায়ণগঞ্জ নরসিংদি হয়ে লংমার্চটি আখাউড়ায় পৌঁছবে। সেই কারণে উত্তেজনা ভারতীয় সেনাও তৈরি।

বাংলাদেশের তরফে ভারত বিরোধী একাধিক বিবৃতি জারি করার পর থেকেই সীমান্তে যাচ্ছে একের পর এক সেনাবাহিনীর গাড়ি। এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গুঞ্জনের শেষ নেই। ধূপগুড়ির এক বাসিন্দা বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ভারত বিরোধী বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছি। তার মধ্যেই গত দুদিন ধরে লাইন দিয়ে সেনাবাহিনীর গাড়ি অসমের দিকে যাচ্ছে। যা দেখে তো মনে হচ্ছে যুদ্ধ লেগে যাবে। আমরাও দারুণ দুশ্চিন্তায়। যদি যুদ্ধ লাগে কী হবে”।

অন্য এক বাসিন্দা বলেন, “বাংলাদেশিরা হুমকি দিচ্ছে কলকাতা দখল নেবে। কখনো বলছে সেভেন সিস্টার দখল করবে ।লংমার্চ শুরু করেছে ওরা। ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে বলে শুনেছি। বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই হয়ত সেনাবাহিনীর গাড়ি যুদ্ধ সামগ্রী নিয়ে আসামের দিকে যাচ্ছে ধূপগুড়ি হয়ে”।

আরও পড়ুনঃ স্কুলের মধ্যেই একে অপরকে গা’লিগা*লাজ, তুমুল হাতা*হাতিতে জড়ালেন খোদ শিক্ষকরাই, ‘পড়ুয়ারা কী শিক্ষা পাবে’, প্রশ্ন তুলে নি’ন্দার ঝড় 

বিএসএফ সূত্রের খবর, সাগরপাড়া এলাকায় যে বিএসএফের রোড রয়েছে সেই রাস্তা চওড়া করা হচ্ছে। কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে সেখানে। জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকাতে বিএসএফের নানান ক্যাম্প তৈরি হচ্ছে।

RELATED Articles