গত বুধবারই সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছে চন্দ্রযান-৩। ইসরোর এই সাফল্যে গোটা দেশ গর্বিত। অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে ছাত্র মৃত নিয়েও গোটা রাজ্য উত্তাল। এবার বাংলার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে র্যাগিং-মুক্ত করতে ইসরোর প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হবে। এই নিয়ে ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে আলোচনা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।
জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে গতকাল, বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাস র্যাগিং মুক্ত করার জন্য ইসরোর কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি।
কী কথা হয় দু’পক্ষের?
পশ্চিমবঙ্গের নানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে র্যাগিং থেকে মুক্ত করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে ইসরো। ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে অনেকটা সময় ধরে আলোচনা করেছেন বাংলার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস। কীভাবে প্রযুক্তিগত সুবিধা ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলিকে র্যাগিং থেকে মুক্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উভয়ের মধ্যে। শুধু ইসরোর চেয়ারম্যানের সঙ্গেই নয়, এর পাশাপাশি হায়দরাবাদের একটি সংস্থার সঙ্গেও এই নিয়ে আলোচনা করেছেন রাজ্যপাল বোস।
কী জানাচ্ছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা?
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ভিডিও বিশ্লেষণ, ইমেজ ম্যাচিং স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য শনাক্তকরণ এবং রিমোট সেন্সিংয়ের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বিষয়ে প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় র্যাগিং তত্ত্ব উঠে এসেছে। এই নিয়ে রাজ্য ও রাজনীতি উত্তাল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পড়ুয়া ও প্রাক্তনী মিলিয়ে মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। র্যাগিংয়ের জেরেই মৃত্যু হয়েছিল ওই ছাত্রের, এমন তথ্যই উঠে আসছে তদন্তে।





