সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত জমি জবরদখল করে দলীয় কার্যালয় করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই নিয়ে মামলা করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। অবিলম্বে ওই জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ওই জমিতে নির্মাণকার্যের অনুমতি কে দিয়েছিল, তাও জানানোর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
ঘটনাটি নদিয়ার পলাশীপাড়ার। এদিন মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ছেন, তাঁর মক্কেল অনুশ্রী ঘোষ চৌধুরীর পলাশীপাড়ায় একটি জমি ছিল। তাতে তিনি দোকান করবেন বলে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু পরে সেই জমি জবরদখল করে তৃণমূল। সেখানে পার্টি অফিস করে তারা। শুধু তাই-ই নয়, জমি ফেরত চাইতে গেলে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান ও জেলা পরিষদের সদস্যরা ২০ লক্ষ টাকা দাবী করে বলে অভিযোগ।
আদালতে আবার প্রধান ও জেলা পরিষদের সদস্যদের যুক্তি, ওই জমিটি ফাঁকা পড়েছিল। সেই কারণেই সেখানে পার্টি অফিস করা হয়েছে। এরপরই নির্মাণের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। কে নির্মাণের অনুমতি দিল, তা জানতে চাওয়া হয়। এরপরই বিচারপতি স্থানীয় বিএলআরও-কে নির্দেশ দেন যাতে মামলাকারীর জমি চিহ্নিত করে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ৩ জুলাই।
এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও নিউটাউনে সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস গড়ে তোলার অভিযোগ উঠছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই পার্টি অফিসও ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সময় বিচারপতি সিনহা।
নিউটাউন এলাকায় সরকারি জমিতে বেআইনি পার্টি অফিস নির্মাণ করেছে তৃণমূল, এমন অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। জানা যায়, সেই জমি আসলে সরকারের অধীনস্থ সংস্থা ‘হিডকো’র। হিডকো জানিয়েছিল ওই জমি তাদের। এরপরই তৃণমূলের পার্টি অফিস ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। আর এবারও তেমনই নির্দেশ দিলেন তিনি।





