CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities: শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়েই সামনে আসে রাজ্যের নানান পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির দিকটি। ধৃত অয়ন শীলের থেকে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য মেলে। গত কয়েকমাসে নানান জেলার পুরসভার প্রধান ও কাউন্সিলরদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। এবার এই মামলার চার্জশিট পেশ করা হল। জানা গিয়েছে, ৩২ পাতার চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে কোন পুরসভায় কত নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে, সেই সমস্ত তথ্য এসেছে সিবিআইয়ের হাতে (CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)।
পুরসভায় নিয়োগের দায়িত্বে ছিলেন ধৃত অয়ন শীল। সিবিআইয়ের দাবী, খাতায়-কলমে নিয়ম মানা হলেও বাস্তবে তা কিন্তু হয়নি। নানান পদে ১৮৫০ জনের নিয়োগ হয় বলে অভিযোগ। এর মধ্যে রয়েছে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-এর নিয়োগ। বিপুল অঙ্কের দুর্নীতি হয়েছে। ১৩টি পুরসভা যেখানে ব্যাপক পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ করেছে সিবিআই (CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)।
সিবিআই সূত্রে খবর, সবথেকে বেশি নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু গোপাল রায়ের। ২০১৪ সাল থেকে এই পুরসভাগুলিতে নিয়োগ হয়েছিল ৩৬৫০ জনের যার মধ্যে বেআইনিভাবে নিয়োগ হয় ১৮১৪ জনের(CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)।
কোন পুরসভায় কত বেআইনি নিয়োগ (CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)?
সিবিআই সূত্র অনুযায়ী, টাকি পুরসভা- ১৫, বাদুড়িয়া পুরসভা- ৩৯, কামারহাটি পুরসভা- ৪৯, দমদম পুরসভা- ৬১, দক্ষিণ দমদম- ৩২৯,০ হালিশহর পুরসভা- ৩৯, কাঁচড়াপাড়া পুরসভা- ৩০৩, নিউ ব্যারাকপুর পুরসভা- ৭৪, টীটাগড় পুরসভা- ২২১, রানাঘাট পুরসভা- ১০১, নবদ্বীপ পুরসভা- ১, বীরনগর পুরসভা- ২৬, কৃষ্ণনগর পুরসভা- ২০০, ডায়মন্ড হারবার পুরসভা- ১৮, উত্তর দমদম পুরসভা- ৬৪, বরানগর পুরসভা- ২৭৬, উলুবেড়িয়া পুরসভা- ১৮। সিবিআইয়ের দাবী, এইসমস্ত নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি (CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)।
সবথেকে বেশি নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। এই বিষয়ে পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচুগোপাল রায়ের দাবী, সরকারের অনুমোদন মেনেই নিয়োগ হয়েছে (CBI Gave List of Illegal Recruitments in Several Municipalities)। তাঁর কথায়, “সরকারি বিভাগ অনুমোদন দিয়েছে। সেই অনুযায়ী নিয়োগ হয়। আলাদা বোর্ড ছিল। তারা নিয়োগ করেছে। এটা বিচারাধীন বিষয়, তাই নিয়োগ বেআইনি কি না, তা বলতে পারবে আদালত”।
অন্যদিকে, কামারহাটি পুরসভার পুরপ্রধান গোপাল সাহার দাবী, ওই পুরসভার নিয়োগে কোনও দুর্নীতি হয়নি। তিনি বলেন, “যদি কেউ জবাবদিহি চায় তার জন্য প্রস্তত আছি”।





