কয়লা পাচারকাণ্ডে সিআইডি-র হাতে গ্রেফতার শাসকদল ঘনিষ্ঠ আব্দুল বারিক, সোনা ও গরু পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ধৃত

বর্তমানে এখন গোটা রাজ্য-রাজনীতি মেতে রয়েছে এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে। এই কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে এরই মধ্যে এবার মাথাচাড়া দিল কয়লা পাচারকাণ্ডও। সিআইডির হাতে ধরা পড়ল কয়লা পাচারকাণ্ডে যুক্ত আব্দুল বারিক। এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় নারায়ণপুরে অভিযান চালিয়ে আব্দুলকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, জামুরিয়াতে একটি স্পঞ্জ কারখানা রয়েছে আব্দুলের। অভিযোগ, সেই কারখানার আড়ালেই চলত কয়লা পাচারের কাজ। তবে শুধু কয়লা পাচারই নয়, আব্দুল বারিকের বিরুদ্ধে সোনা ও গরু পাচারের অভিযোগও ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই অভিযোগে তাকে অতীতে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

কিন্তু সিআইডি কীভাবে আব্দুলের খোঁজ পেল? জানা গিয়েছে, কয়লা মাফিয়া মীর দিলওয়ারকে জামুরিয়া থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জেরা করেই আব্দুলের সন্ধান মিলেছে বলে খবর। গতকাল, শুক্রবার বিকেলে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি ড্রোন উড়িয়ে কয়লা পাচারের মূল জায়গায় পৌঁছতে চেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তখনই দেখা যায় প্রায় ২৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইসিএলের একটি খনি। সেই পরিত্যক্ত খনি থেকেই চলছিল কয়লা উত্তোলনের কাজ। এই ফুটেজ দেখে নড়েচড়ে বসে সিআইডি। 

আদালতেও সিআইডি সেই ছবি পেশ করে। জামুয়ারিয়ার হিজলগড়া থেকে মীর দিলওয়ার হককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপরই তাকে জেরা করে আব্দুলের খোঁজ মেলে। অনেকের মতেই। কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে নেমে সিআইডি বেশ বড় একটা সাফল্য পেল। কার কারা এই পাচারকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।  

সূত্রের খবর অনুযায়ী, একটা সময় এমন ছিল যে গাড়ি ধুয়ে, খালাসি হিসেবে কাজ করেই রোজগার করত আব্দুল। সেই আব্দুলই কয়লা পাচারকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে তার সঙ্গে শাসকদলের যোগাযোগ গড়ে ওঠে বলেও জানা যায়। যদিও শাসকদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

RELATED Articles