একটা ফোন আর সেটাই কাল হলো হাওড়ার দক্ষিণ বাকসারা এলাকার বাসিন্দা প্রিয়শ্রী ঘোষের। বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ বন্ধুর ফোন পেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল বছর ১৪-এর ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকারই ওই পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
মৃতার বাড়ির অভিযোগ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খুন করা হয়েছে ওই কিশোরীকে। ঠিক কী ঘটেছিল গতকাল রাতে? তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বি গার্ডেন থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, হাওড়ার দক্ষিণ বাকসারা এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোরীর নাম প্রিয়শ্রী ঘোষ। দশম শ্রেণির পড়ুয়া। বুধবার সন্ধ্যায় দীর্ঘক্ষণ বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ির বাইরেই ছিল ওই নাবালিকা। আড্ডা-খাওয়াদাওয়া সেরে রাত ৮ টার পর বাড়ি ঢোকে সে। তারপর সোজা চলে যায় দোতলায় নিজের ঘরে। এরপর রাত ১১ টা নাগাদ এক বন্ধু ফোন করে ওই কিশোরীকে। তাঁর সঙ্গে কথা বলার পরই ফের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় ওই কিশোরী। তবে এবার তাঁর বেরিয়ে যাওয়া টের পায়নি মৃতার বাড়ির লোক। পাঁচিল টপকে বাইরে বের হয় সে।
আজ সকালে এলাকার একটি পুকুরে প্রিয়শ্রীর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
পরিবারের সদস্যদের কথায়, রাত ১১ টা নাগাদ ওই নাবালিকার ফোন এসেছিল, তা টের পেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু প্রিয়শ্রী যে ঘর থেকে বেরিয়েছে, ঘুণাক্ষরেও তা বোঝেননি কেউ। অনুমান, রাতে পাঁচিল টপকে বেরিয়েছিল প্রিয়শ্রী। কিন্তু কোন বন্ধুর ফোন পেয়ে বেরিয়েছিল সে? তবে কি খুনের উদ্দেশেই ডাকা হয়েছিল প্রিয়শ্রীকে? নাকি ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর কোনও কিছু নিয়ে বচসার কারণে এই খুন? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে।





