সংসদের বাইরে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন বিজেপি নেতা-নেত্রীরা। সেখানে কন্যাশ্রী প্রকল্পকে ছোটো করতে গিয়ে নিজেই অপমানিত হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্ল্যাকার্ডে কন্যাশ্রী বানানের জায়গায় লেখা ছিল ‘কন্নাশ্রী’। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দুরন্ত গতিতে ভাইরাল হয়ে যায়। হইচই পড়ে গিয়েছিল এই ঘটনা নিয়ে।
শুধু তাই-ই বিজেপির শীর্ষ নেতা তথাগত রায় পর্যন্ত দিলীপ ঘোষকে মূর্খ বলেছেন। এবার এক অভিনব প্রতিবাদ করতে দেখা গেল কংগ্রেস নেতাকে। দিলীপবাবুকে বর্ণপরিচয় পাঠালেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। ই-মেল মারফৎ বর্ণপরিচয়ের পিডিএফ পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে, এমনটাই জানা গিয়েছে। দিলীপবাবু এ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও, কংগ্রেস নেতা জানান, “দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এটা আমার কর্তব্য”।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বারবারই নানান বিতর্কে জড়িয়েছে। নিজের নানান মন্তব্যের কারণেই তিনি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন বরাবর। গরুর দুধে সোনা রয়েছে থেকে দলের মহিলা কাউন্সিলরকে ল্যাম্প পোস্টে বেঁধে রাখা, এমন নানান বিতর্ক রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এই কারণে তাঁর থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না বলেই মনে করেন তৃণমূল নেতারা। তাদের মতে, দিলীপবাবু যে কন্নাশ্রী বানান ভুল লিখবেন, এটা তো স্বাভাবিক।
আরও পড়ুন- ৫ দিনে করোনায় আক্রান্ত ২৪২ শিশু, সত্যিই কী তবে তৃতীয় ঢেউয়ে আশঙ্কা শিশুদের?
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নাকি এবার আগামী শনিবার স্পিড পোস্টের মাধ্যমে বর্ণপরিচয় বইও যাবে দিলীপ ঘোষের কাছে, এমনটাই জানা গিয়েছে। তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা বলেন, আশা করি এরপর থেকে বই পড়ে বানান জেনে তবেই ডিসপ্লে বোর্ড তৈরি করবেন দিলীপ ঘোষ। এমনকি, তৃণমূলও এই বিষয় নিয়ে যথেষ্ট মজা করেছে।
এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ বাগচী বলেন, “আমি দেখলাম সংসদের বাইরে দিলীপ ঘোষ–সহ বিজেপির সাংসদরা প্রতিবাদ করছেন। প্রতিবাদের ইস্যু নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু বাঙালি হিসাবে যা চোখে পড়ল প্ল্যাকার্ডগুলিতে যে সব বানান লেখা ছিল। ব্যাকরণের স্পষ্ট জ্ঞান না থাকাতেই এটা ঘটেছে। তাই দায়িত্বশীল বাঙালি হিসাবে মনে হয়েছে, ময়াদিল্লির বুকে তাঁদের হাতে ওরকম বানান দেখে মানুষ কী ভাববে! তাই বর্ণ পরিচয় পাঠানো উচিত। বাঙালির সম্মান যেন অটুট থাকে”।





