‘ম’র’লে টাকা পাব, ভালো করে ছবি নে’, খালি হাতেই বোমা উদ্ধার পুলিশের, ছেলেখেলা নাকি? বলছেন স্থানীয়রা

ফের আবারও ভাঙড় থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের কাশীপুর থানার অন্তর্গত পানাপুকুর এলাকার বাশঁবাগানে বোমা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় কাশীপুর থানায়। পুলিশ এসে উদ্ধার করে চারটি তাজা বোমা। এই ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

আজ, বুধবার কাশীপুর থানার পানাপুকুরে এই বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনেকের মতেই, ভাঙড় রয়েছে ভাঙড়েই। কোনও কিছুই পাল্টায় নি। রাজনৈতিক রেষারেষি, কু-কথা, রাজনৈতিক সংঘর্ষ এখন ভাঙড়ের নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এবার এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে মাঝেমধ্যেই তাজা বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনা।

এদিন কোনও রকমের বোমা ডিস্পোজাল টিম ছাড়াই কাশীপুর থানার পুলিশ বোমা উদ্ধার করে। কলকাতা পুলিশের ভাঙড় ডিভিশনের কাশীপুর থানার পুলিশ কর্মী খালি হাতেই সেই তাজা বোমা উদ্ধার করেন। আবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, “ভালো করে ছবি নে, ম’র’লে টাকা পাব”।

পুলিশ কর্মীর এহেন মনোভাব দেখে উঠেছে প্রশ্ন। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, তিনি কী বীরভূমের নানুরের ঠিক এভাবেই বোমা উদ্ধার করার ঘটনা ভুলে গিয়েছেন! সেই বোমা উদ্ধারে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল নওনেয়াল মির্জা নামের এক পুলিশ কর্মীর।

এর আগে ১১ জানুয়ারিও ভাঙড় ২ ব্লকের পোলেরহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মিদ্দে পাড়া থেকে সাতটি বোমা উদ্ধার করেছিল বলে দাবী করে কলকাতা পুলিশের এআরএস টিম। সেই খবর পেয়ে লোকজন জড়ো হন থানায়। বোমাগুলি তারা দেখতে চাইলে, তা দেখানো হয়নি। এরপরই পোলেরহাট থানায় ভাঙড়ের জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

এই ঘটনার খবর পেয়ে থানায় যান ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সইকত ঘোষ। তিনি গিয়ে জমি কমিটির মুখপাত্রকে বোঝান। সেদিন সাংবাদিকদেরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় কিন্তু বোমার কোনও ছবি মেলেনি। অথচ আজ সকলকে দেখিয়েই এভাবে বোমা উদ্ধার পুলিশের তাও আবার খালি হাতেই। তাহলে সেদিন কেন বোমা দেখানো হল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই নিয়ে যেন বিতর্ক শেষই হচ্ছে না।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles