রাজ্যে পাঁচ দফার ভোট শেষ। এখনও বাকী তিন দফা। প্রচারের লড়াইয়ে একে অপরকে টেক্কা দিতে বাদ রাখছে কোনও রাজনৈতিক দলই। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন হুইল চেয়ারে বসেই পুরোদমে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখেই প্রচার চলছে বিজেপির তরফে। এরই মধ্যে এক জনসভায় মমতাকে বিঁধে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “সাদা শাড়ি নয়, সাদা দাড়িকে চায় মানুষ”।
গতকাল, রবিবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে বিজেপ প্রার্থী মহেন্দ্রনাথ কোঁয়ারের সমর্থনে জনসভা করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি বলেন, “সাদা শাড়ির দিন শেষ। সাদা দাড়ির দিন এসেছে। দিদিমনির হাওয়াই চপ্পল আর সাদা শাড়ি আমাদের অনেক বোকা বানিয়েছে। আর সাদা শাড়ি নয়, এ বার সাদা দাড়ি চলবে । সাদা দাড়ি এবার সোনার বাংলা গড়বে”।
আরও পড়ুন- রায়গঞ্জে রোড শো চলাকালীন গুরুতর অসুস্থ মিঠুন চক্রবর্তী, কলকাতায় ফিরছেন মহাগুরু
বক্তব্যের শুরু থেকেই এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “দিদি বলেছিল খেলা হবে। আমরা ভেবেছিলাম কী না কী খেলা হবে! এখন বলছে হুইল চেয়ার ঠ্যালা হবে! দিদি বলেছিলেন, একসঙ্গে ভোট করে নাও। শেষে দেখা গেল দিদিই পালিয়ে গিয়েছেন। ম্যাচ শেষ হতে এখনও অনেকটা সময় বাকি। আমরা বলছি ফুলটাইম খেলা হবে। যতক্ষণ না খেলা শেষ হচ্ছে, মাঠ ছাড়ব না”।
এদিকে, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কলকাতায় আর কোনও সভা বা ভোট প্রচার করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র একুশের বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দিন ২৬শে এপ্রিল একটি ‘সিম্বলিক মিটিং’ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতির জন্য নানান জেলায় তাঁর কর্মসূচির সময়সীমাও কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। আধ ঘণ্টার মধ্যেই সমস্ত সভা ও কর্মসূচি করবেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন- ফের করোনার জেড়ে রাজ্য জুড়ে বন্ধ হতে চলেছে স্কুল
অবশ্য, বামেদের পক্ষ থেকে অনেক আগেই কোনও বড় সভা, মিটিং, মিছিল না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারা ভোট প্রচার করবেন বলেও জানা গিয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যেয় আলিমুদ্দিন স্ট্রীটে মহম্মদ সেলিম একটি সাংবাদিক সম্মেলন কর এমন কথা ঘোষণা করেন। এরপর বামেদের তরফে এও জানানো হয় যে তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও প্রচার করবেন।






