‘যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দরকার, মমতার পুলিশের হিম্মত থাকলে ওরা তা করে দেখাক’, যাদবপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক দিলীপ

যাদবপুরের ছাত্র মৃত্যু নিয়ে গোটা রাজ্য-রাজনীতি এখন উত্তাল। সেখানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সেখানে পুলিশের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা দরকার বলে মনে করছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “জওহরলাল নেহরু ক্যাম্পাস অর্থাৎ জেএনইউকে আমরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে ঠাণ্ডা করে দিয়েছি। ওখানে আজদি’, স্লোগান বন্ধ হয়ে গিয়েছে”।

কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

গতকাল, রবিবার খড়গপুরের সাংসদ বলেন, “ওখানে দিল্লি পুলিশ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল, আজাদি কা স্লোগান বন্ধ হয়ে গেছে। যাদবপুরেও এমনই দাওয়াই দরকার। ওখানে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের হিম্মত থাকে তবে তাঁরাও ওখানে গিয়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করুক। ওখান থেকে বিপথগামী দেশবিরোধী কার্যকলাপ নির্মূল করা না গেলে যাদবপুরকে আর আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রাখা যাবে না”।

বিজেপি সাংসদ বলেন, মা-বাবারা স্বপ্ন দেখেন তাদের ছেলেমেয়ে যাদবপুরে পড়াশোনা করবে। কিন্তু যে ঘটনা ঘটেছে, তা ভয়াবহ। তাঁর কথায়, “আমি যখন যাদবপুর নিয়ে সরব হয়েছিলাম তখন অনেকে আমাকে গালমন্দ করেছিল। কিন্তু আমার কথাগুলি কানে তুললে আজকে এভাবে একটা নিরীহ ছেলেকে মরতে হত না সহপাঠীদের হাতে। আমি তিনবছর আগেই বলেছিলাম যে ওখানে রাষ্ট্রবিরোধী, দেশবিরোধী শক্তি কাজ করছে, কোমলমতি ছেলেমেয়েদের তারা বিপথে চালিত করছে, আর এর জন্য ম দ, গাঁ জা, হেরোইনের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে”।

বাবুল সুপ্রিয়র প্রসঙ্গও টানেন তিনি

বাবুল সুপ্রিয়র প্রসঙ্গ তুলে দিলীপ বলেন, “বাবুল সুপ্রিয় যখন আমাদের সঙ্গে ছিলেন তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে তিনি সেখানে যান। তাঁকে এই ছাত্ররা ঘিরে ধরেছিল। তখন আমাদের ছাত্র-যুবরা পাল্টা দাওয়াই দিয়ে দিয়েছে”।

নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকেও

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করতে ছাড়েন নি দিলীপ। বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ কখনওই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কোনও পদক্ষেপ নেবে না। কারণ যাদবপুরে মাওবাদী যথেষ্ট সক্রিয় আর মাওবাদীদের সাহায্যেই তিনি ক্ষমতায় এসেছেন”।

RELATED Articles