তৃণমূলের তরফে লোকসভা নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলেও বিজেপি এখনও পর্যন্ত তা করেনি। প্রথম প্রার্থী তালিকায় বাংলার ২০ জনের নাম ছিল বিজেপির। এখনও বাংলার বাকি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে নি গেরুয়া শিবির। কয়েকটি আসন নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তেমনটাই খবর বিজেপি সূত্রে। এরই মধ্যে উঠে এল আরও এক খবর।
সূত্রের খবর, এবার আর মেদিনীপুর থেকে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিচ্ছে না বিজেপি। এই নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে মেদিনীপুরের সাংসদের। শেষ পর্যন্ত তিনি ওই কেন্দ্র ছাড়তে রাজি হয়েছেন বলে খবর। বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন, মেদিনীপুরের কেন্দ্র থেকে আরও ‘ঘোষ’কেই প্রার্থী করতে পারে বিজেপি।
কে সেই অন্য ‘ঘোষ’?
কিছুদিন আগেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, রুদ্রনীল ঘোষ লোকসভা ভোটের প্রার্থী হবেন। তাহলে সেই ‘ঘোষ’কেই মেদিনীপুরে দাঁড় করাতে চলেছে বিজেপি? তবে সূত্রের খবর, অন্য ঘোষ মানে উঠে এসেছে ভারতী ঘোষের নাম। মেদিনীপুর থেকে প্রাক্তন এই পুলিশ কর্তাকেই প্রার্থী করার পথে বিজেপি।
তবে বাকি আসনে প্রার্থী নিয়েও বেশ কাটাছেঁড়া চলছে দলের অন্দরে। অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ হবেন, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনও বিশ বাঁও জলে। দলের একাংশ বিজেপি কর্মী অভিজিৎ দাসকে প্রার্থী করতে চাইলেও, বাকিরা তাতে সায় দেয় নি। জানা গিয়েছে, এক মহিলা নেত্রীও অভিষেকের বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রস্তাব ফিরিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারে শঙ্কুদেব পণ্ডা বা এক প্রাক্তন সেনা কর্তা।
অন্যদিকে, আসানসোল কেন্দ্র নিয়েও চলছে জল্পনা। সেই কেন্দ্র থেকে পবন সিংয়ের নাম বিজেপি ঘোষণা করলেও, ভোজপুরি গায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রার্থী হতে চান না। ফলে সেই কেন্দ্র থেকে জিতেন্দ্র তিওয়ারির উপরেই ভরসা করেছে দল।
বারাসাত থেকে প্রার্থী হতে পারেন বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক। অন্যদিকে, বীরভূম থেকে বিজেপি প্রার্থী করতে পারে সদ্য ইস্তফা দেওয়া আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধরকে। প্রার্থী তালিকা নিয়ে জটের মধ্যেই আজ, শুক্রবার ফের দিল্লি যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার। আগামীকাল, শনিবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।






