ভেঙে পড়ল নির্মীয়মান সেতু, মৃ’ত ১, ধ্বংসস্তূপে আটকে প্রায় ৪০ শ্রমিক, বাড়তে পারে মৃ’তের সংখ্যা

কলকাতার গার্ডেনরিচের বহুতল ভেঙে পড়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এল। গার্ডেনরিচের নির্মীয়মান বহুতল ভেঙে পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নির্মীয়মান সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে অন্তত ৪০ জন ওই ভেঙে পড়া সেতুর ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন।

কোথায় ঘটল এই ঘটনা?

শুক্রবার সকাল ৭টা নাগাদ বিহারের সুপৌল জেলায় ভেঙে পড়েছে নির্মীয়মাণ সেতু। কোশী নদীর উপর সুপৌল জেলার বকৌর থেকে মধুবনী জেলায় ভেজার মধ্যে যে সেতুর নির্মাণ চলছিল, তা দেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু। মরিচার কাছেই ওই নির্মীয়মাণ সেতুর একাংশ ভেঙে পড়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেতুর ৫০ নম্বর পিলার, ৫১ নম্বর পিলার, এবং ৫২ নম্বর পিলারের গার্ডার ভেঙে পড়েছে। ওই ধ্বংসস্তূপের তলায় কমপক্ষে ৪০ জন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেতো ভেঙে পড়ার সময় সেখানে প্রায় ৪০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সরকারের তাড়াতাড়ি বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। ‌আহতদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে।

সুপৌল জেলাশাসক কৌশল কুমারকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আপাতত একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। কমপক্ষে নয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুপৌলের জেলাশাসক। মৃত্যুর সংখ্যার আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি। 

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সেতু নির্মাণে ৯৮০ কোটি থেকে শুরু করে ১,৭০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে সেতুর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছীল। তা সম্ভব হয়ে না উঠলেও চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই সেতুর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। এই ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প প্রশ্নের মুখে উঠেছে। উল্লেখ্য, বিহারে ব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনা এই নতুন নয়। ২০২২ সালে ভাগলপুরে একটি নির্মীয়মাণ সেতু ভেঙে পড়েছিল। ফের ২০২৩ সালে ওই সেতুটিই ভেঙে পড়ে আবার।

RELATED Articles