আজ, সোমবার শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন হতে চলেছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। শোনা যায়, এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে পরবর্তীতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয় । আজ, সোমবার খড়গপুরে চা চক্রে যোগ দিয়ে এই বিষয়ে মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ বিতর্কে তিনি বলেন, “বিতর্কের মাঝে নয়, যথাসময়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে৷ যাঁরা কোনওদিন বিরোধীদের সম্মান দেন না, আমন্ত্রণ জানান না, তাঁরা এটা নিয়ে ফালতু বিতর্ক করছেন”। তাঁর দাবী, “মেদিনীপুর শহরে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক, মিটিং করেন৷ আমি এখানে পাঁচ বছর বিধায়ক ছিলাম, তিন বছর সাংসদ আছি৷ কখনও আমাকে একটা চিঠি দেওয়া হয় না৷ এখানে খড়গপুরে আমাদের বিধায়ক আছেন৷ কখনও আমাদের ডাকা হয় না৷ সরকারি বৈঠকটাকে পার্টির মিটিং ভাবা হয়৷ তাঁরা মনে করেন, প্রশাসন আর পার্টির মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই”।
এদিন মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “আমরা তা মনে করি৷ ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ এর রাজনীতি আমাদের প্রধানমন্ত্রী করেন। তাই সকলকে আমন্ত্রণ করেন। তাঁদের যাওয়ার মুখ নেই৷ যে ভাষায় তাঁরা সমালোচনা করছেন, কথা বলছেন। এরপরও যদি যান, তাহলে লোকে কী বলবে৷ তাই ভয়ে যাচ্ছেন না”।
শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খুবই আনন্দের কথা৷ যেটা আমরা অনেকদিন ধরেই চাইছিলাম৷ তাড়াতাড়ি শুরু হোক, মানুষের সুবিধা হবে৷ সেটা সম্পন্ন হয়েছে। একসময় রাজ্য করবে ভেবেছিল৷ কিন্তু করতে পারেনি, কেন্দ্র করেছে। আর এটা নিয়ে তৃণমূল এখন রাজনীতি করছে। কেন্দ্র তার দায়িত্ব পালন করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছেন উদ্বোধন হবে৷ মানুষ এর সেবাও পাবে”।
এরপরই দ্রৌপদী মুর্মুর রাজ্য সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সব রাজ্যে গিয়ে যাঁরা ওঁর ভোটার বিধায়ক, সাংসদ তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলছেন, যাতে নির্বাচনে সবাই তাঁকে সমর্থন করেন৷ আমাদের বাংলাতেও ৯ তারিখ আসার কথা ছিল, কিন্তু শিঞ্জো আবের মৃত্যুর পর শোক দিবস থাকায় আসতে পারেননি৷ সোমবার সন্ধ্যায় আসবেন তিনি৷ মঙ্গলবার পার্টির সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করবেন৷ আরও হয়তো কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেন”।





