কল্যাণী এইমস হাসপাতালে চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সিআইডির তরফে নোটিশ পাঠানো হয়েছে চাকদহের বিধায়কের পুত্রবধূ ও বাঁকুড়ার বিধায়কের মেয়েকে। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেন, “আমরা স্বচ্ছ রাজনীতি, স্বচ্ছ প্রশাসনে বিশ্বাস করি। সারা ভারতবর্ষ সেভাবেই চলছে। এই ধরনের কোনও ঘোটালা হয় না। যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত হোক। সত্যি বেরিয়ে আসবে”। তিনি এও দাবী করেন যে তাঁর কাছেও এরকম লিস্ট রয়েছে।
আজ, শুক্রবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে নানান বিষয় নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে এর আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এর ফলে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ তাঁকে রাজভবনের সামনে নীল ডাউন করিয়ে রাখবেন বলে আক্রমণ করেছিলেন।
এই বিষয়ে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ এদিন বলেন, “যারা এতদিন নীল ডাউন করে এসেছে পুলিশের সামনে সেই দিনগুলো আমরা ভুলিনি। আমি পুলিশমন্ত্রী সম্পর্কে বলেছি। পুলিশের দম থাকলে জেলে ভরুক। তারা গিয়েছে সেই রাজ্যপালের কাছে, যে রাজ্যপালকে তারা উঠতে বসতে গালাগালি দেন? চোদ্দ পুরুষ উদ্ধার করেন, কটুক্তি করেন। তারা কতটা দুর্বল এতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে”।
শুধু তাই নয়, নুপুর শর্মার প্রসঙ্গ তুলে মহুয়া মৈত্রের দেবী কালীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। বলেন, “নূপুর শর্মার কাছে যাচ্ছেন কেন? পশ্চিমবাংলায় আমাদের নেতাদের কাছে খোঁজ নিন। একজন বিধায়ক, সংসদ কি মন্তব্য করেছেন সেটা তুলে ধরুন”।
নুপুর শর্মাকে কলকাতা পুলিশ লুক আউট নোটিশ পাঠিয়েছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, “এখানকার পুলিশ তৃণমূলের পুলিশ। সেই জন্য আমাদের কোন অভিযোগ নেয় না। এই পুলিশের ক্ষমতা আপনারা জানেন। তৃণমূল তাদের নিয়ন্ত্রণ করে। এর জন্যই শত শত খুন হচ্ছে, ধ’র্ষ’ণ হচ্ছে। না চার্জশিট জামা পড়ে না কেউ সাজা পায়। পুলিশ এখন তৃণমূলকে ভোটে জেতাতে আর বিরোধীদের জেলে পুড়তে ব্যস্ত”।





