গতকাল, বুধবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা ডিএমকে দলের প্রধান এমকে স্ট্যালিনের (M. K. Stalin) দেখা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সন্ধ্যার বৈঠকের পর মমতা বলেন, “স্ট্যালিন আমার ভাইয়ের মতো”। তবে মমতার এই সফর নিয়ে তোপ দাগতে ছাড়ে নি বিরোধী পক্ষ (opposition)। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “টাকা তো আর স্ট্যালিন দেবে না, টাকা তো দেবে মোদী সরকার”।
পুজোর মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ১০০ দিনের কাজ-সহ নানান কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অনুদান বন্ধের চিঠি পাঠান কেন্দ্রীয় গ্রামোয়ন্ননমন্ত্রকের সচিব। এই প্রকল্পগুলির ‘নাম বদল না করে টাকা দেওয়া যাবে না’ এই মর্মে ওই চিঠি পাঠানো হয়। এই নিয়ে নবান্নে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়।এবার সেই সংক্রান্ত বিষয়েই প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভপতি দিলীপ ঘোষ।
এদিন তিনি বলেন, “দেখুন বৈঠক করে সমাধান হবে না। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠতে হবে। সব জায়গায় যদি রাজনীতি খুঁজতে যান সব জায়গায় ভোট দেখতে যান তাহলেই দুরবস্থা হবে। যেটা হয়েছে। সরকার এখন দিশেহারা। কী করবে বুঝতে পারছে না। তাও বলছেন মোদী হটাও। তার জন্য স্ট্যালিন এর কাছে যেতে হবে। স্ট্যালিন তো রাস্তা দেবেন না, টাকাও দেবেন না, টাকা কেন্দ্র সরকার দেবে। তাই সেই টাকা সৎ ব্যবহার হওয়া উচিত”।
এখানেই শেষ নয়। মেদিনিপুরের সাংসদ আরও বলেন, “২০১৯ সালে সেই ডায়লগ গুলো মনে করুন কী বলেছিল বিজেপি একটাও সিট পাবে না। মোদী হটাও দেশ বাঁচাও। তারপরে মোদী ৩০৩ সিট পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১৮ টা সিট পেয়েছিলাম। তখন লালু-মুলায়ম-শিবসেনা অনেকের সঙ্গে ছিলেন। রাজনীতিতে এখন তাঁদের দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না”।
মমতার এই চেন্নাই সফরকে ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের কৌশল বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির। যদিও এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করেন যে স্ট্যালিনের সঙ্গে এই বৈঠকে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তবে পদ্ম শিবির ত মানতে নারাজ।





