Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account: পুজোর অনুদান নিয়ে বিতর্কের এমনিতেই অন্ত নেই। এই বছর আবার অনুদানের টাকা বাড়িয়ে ৮৫ হাজার করায় তা নিয়েই বেজায় চর্চা হতে থাকে। এমন দান খয়রাতি নিয়ে যখন বিরোধীরা সরব সেই সময় এল আরও এক বিতর্কমূলক খবর। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টে নয়, ঢুকেছে তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে (Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account)। আর তা নিয়ে শুরু বিতর্ক।
ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড়ে। সেখানকার পুজো টিটাগড় বিবেকনগর সার্বজনীন দুর্গাপুজো। এই পুজো কমিটির সম্পাদক হলেন দেবব্রত ভট্টাচার্য। তিনি আবার টিটাগড় পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্যের স্বামী। অভিযোগ, ২০২২ সালের দুর্গাপুজোর অনুদানের ৬০ হাজার টাকা ও ২০২৩ সালের অনুদানের ৭০ হাজার টাকা ঢুকেছে কাউন্সিলরের ছেলের নামে কোম্পানি দেবমাল্য এন্টারপ্রাইজের অ্যাকাউন্টে (Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account)।
এই বিষয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামীর দাবী, পুজো কমিটির কোনও অ্যাকাউন্ট নেই, সেই কারণে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। কোনও বেআইনি কিছু হয়নি বলে দাবী তাদের। দেবব্রত ভট্টাচার্যের কথায়, “কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সেখান থেকে খরচ করা হয়। এটা সর্বজনীন। তাও বলেছিলাম, এটা তো চেক। বলেছিল চেক না নিলে ফিরে যাবে। যদি প্রোটোকল না থাকত আমাকে তো চেক দিতই না ট্রেজারি থেকে। জেনারেল সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে এসেছে, সেখান থেকে কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ঢোকে। যারা এত বছর পুজো করে এসেছে তারা আমাদের অ্যাকাউন্টটা দেয়নি। ৪৫ হাজার পুজোর কি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকে নাকি? আর কে ৭০ হাজার টাকা মারবে বলুন তো? মারলে তো ৭ লাখ টাকা ১০ লাখ টাকা মারবে। এটা অন রেকর্ড বলছি। ম্যালাইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ২ বছর পুজোর দায়িত্ব নিয়েছি। মানুষ দেখেছে কীভাবে পুজো হয়। তাই এসব বলছে” (Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account)।
অন্যদিকে, তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্যের কথায়, “যে সমস্ত পুজো কমিটি নেই, সেক্রেটারি বা কারও ব্যক্তিগত অ্য়াকাউন্টে টাকা আসে। টিটাগড় থানা থেকে একটা অর্ডার এসেছে, চেয়ারম্যান আমাকে পাঠিয়েওছেন আজকে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পুজো কমিটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা নিত, ২০২৪ থেকে তা হবে না। পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই টাকা নিতে হবে। অনেকে বিষয়টার ভিতরে ঢুকছে না। ভাবছে সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে সেক্রেটারি নিয়েছে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে পুজোর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে”(Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account)।
এই প্রসঙ্গে বিবেকনগরের পুজো কমিটির সঙ্গে এক সময় যুক্ত এবং টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী জানান, “আমাদের প্রতিটা পুজো কমিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন আমি জড়িত। প্রতিটি পুজো কমিটিরই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ২০২১ অবধি এই পুজোর সঙ্গেও ছিল। ২০২২ থেকে আমি খুব একটা জড়িত নই। যেহেতু অন্য জায়গায় কাউন্সিলর হয়েছি, সেখানে পুজো হয়। এটা কী করে হল আমার মাথায় আসছে না। একটা কোম্পানির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে দেখলাম। কীভাবে এটা হল সেটাই বড় প্রশ্ন”।
এই ঘটনার কথা সামনে আনেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি (Donation Money for Durga Puja has been Credited to TMC Councilor Husband Account)। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তদন্তের দাবী করে সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেবেন তিনি। তিনি এও জানিয়েছেন, এভাবে সরকারি টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ তুলে তিনি হাইকোর্টেও মামলা দায়ের করবেন।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!