শিল্পে লগ্নি টানতে সম্প্রতিই স্পেন সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শালবনিতেও ইস্পাত কারখানা তৈরি করার ঘোষণা করেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এরই মধ্যে বাংলার শিল্পমহলে এল এক সুখবর। এবার বাংলার তৈরি টোটো পাড়ি দিল সুদূর আফ্রিকাতে।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
বাংলায় যে টোটো তৈরি হয়, এবার সেই টোটো চলবে আফ্রিকার ঘানার রাস্তাতে। হুগলির পোলবার সুগন্ধায় দিল্লি রোডের উপর রয়েছে হুগলি মোটরস। সেই কারখানায় কাজ করেন প্রায় ২০০ জন শ্রমিক। সেই কারখানায় তৈরি হয় টোটো। সেই টোটো অর্থাৎ ই-রিক্সাই এবার রফতানি হচ্ছে ঘানাতে। গতকাল, বুধবার খিদিরপুর এই টোটো পাড়ি দিল আফ্রিকার ঘানাতে।
কী জানাচ্ছেন সংস্থার কর্ণধার?
এই ঘটনায় হুগলি মোটরসের কর্ণধার শেখ নাসিরুদ্দিন বলেন, “বর্তমানে ব্যাটারিচালিত পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাহিদা প্রচুর। তেলের দাম বাড়ায় ই-গাড়ির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। তাই এর বাজার খুলছে বিদেশে। মাসদুয়েক আগে ঘানার মাদিনার সংস্থা গোল্ডেন ওয়েবের প্রতিনিধিরা হুগলিতে কারখানা দেখতে আসেন। তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। এবং ব্যবসায়িক চুক্তি করেন। তাঁরা জানান আগে চিন থেকে ই-রিক্সা বা টোটো নিতেন। কিন্তু তাদের গুনগত মান খারাপ হওয়ায় এবার ভারত থেকে টোটো আমদানি করতে চায় ঘানা। সেইমতো কনটেনার ই-রিক্সা পাঠানো হচ্ছে”।
স্বভাবতই এমন এক ঘটনায় বাংলার শিল্পমহলে বেশ খুশির হাওয়া। আগামীদিনেও এই টোটো আরও অন্যান্য দেশে যদি বিক্রি করা যায়, তাহলে বিদেশি মুদ্রা আসবে। আর এর জেরে দেশের অর্থনীতিতে বাংলা এক বড় ভূমিকা নিতে পারবে। শুধু তাই-ই নয়, এই শিল্প আরও বাড়লে বাংলার মানুষরাও কাজের সন্ধান পাবেন। টোটো প্রস্তুতকারক সংস্থার দাবী, রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র শিল্পগুলির দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।






