Election Commission asked for report for violence: আজ, ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হল গণতন্ত্রের উৎসব। এদিন উত্তরবঙ্গের তিন আসনে ভোট রয়েছে। ভিত চলছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে। ভোট শুরুর আগে থেকেই নানান জায়গা থেকে উঠে আসছে নানান অশান্তির অভিযোগ। আর ভোটের সকালে তো তা আরও বাড়ল। এবার এই অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission asked for report for violence)।
এদিন ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে তিন আসনের নানান প্রান্ত থেকে উঠে আসে একের পর এক অশান্তির অভিযোগ। সবথেকে বেশি অশান্তির অভিযোগ উঠেছে কোচবিহার থেকে। কোথাও তৃণমূল বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মারধর, কোথাও বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, কোথাও আবার বিজেপি কর্মীকে হাঁসুয়ার কোপ বসানো, তো কোথাও আবার ভোটদানে বাধা। এমন নানান বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে আর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপি দু’পক্ষের বিরুদ্ধেই। এবার এই সব ঘটনায় রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission asked for report for violence)।
এদিন সকাল থেকেই শীতলকুচি তো বটেই, এর সঙ্গে মাথাভাঙ্গা, সীতাই, চান্দামারি, তুফানগঞ্জ নানান এলাকা থেকে একের পর এক অশান্তির খবর আসছে। এই অশান্তির জেরে তৃণমূল-বিজেপি উভয় দলের কর্মী-নেতারাই আক্রান্ত হয়েছেন। কেউ কেউ ভর্তি হাসপাতালে। কিছু জায়গায় বুথের সামনে সংঘর্ষের অভিযোগ এসেছে। সেই কারণে এই ঘটনায় তাই রাজ্য ও জেলা নির্বাচনী দফতরের থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission asked for report for violence)।
কোথায় কত ফোর্স রয়েছে ভোটের প্রথম দফায়?
জানা গিয়েছে, আজ রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোচবিহারে ৪৭টি, আলিপুরদুয়ারে ২৩টি, জলপাইগুড়িতে ১৩টি, শিলিগুড়িতে তিনটি কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। তিনটি ভোটকেন্দ্রে কমিশনের তরফে রাজ্য পুলিশের মোট ১২,৩১০ জন কর্মীকে নিযুক্ত করা হয়েছে। ভোটের দিন তিন জেলায় সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এত পরিমাণ ফোর্স থাকা সত্ত্বেও কেন এমন অশান্তির ঘটনা, তা জানতে এবার রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission asked for report for violence)।






