শেষবেলার প্রচারে আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভবানীপুর। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে চেয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। আজ, বিকেল চারটের মধ্যেই সেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন।
আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। উপনির্বাচনের শেষ প্রচার আজ। আর এদিনই যদুবাবুর বাজারে প্রচার করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। আজ যদুবাবুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিজেপির একটি পথসভা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, দিলীপ ঘোষ সেখানে উপস্থিত হওয়ার আগেই তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটে বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন- ভবানীপুরে প্রচারে গেলে দিলীপ ঘোষের উপর হামলা, ঘাড় ধাক্কা তৃণমূলের, বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ
এই সময় সেই স্থানে কোনও পুলিশ ছিল না। এমনকি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও ছিল না বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এমনই জটিল হয়ে যায় যে দিলীপ ঘোষের নিরাপত্তারক্ষীকে পিস্তল দেখিয়ে সাংসদকে সেই জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়।
https://twitter.com/BJP4Bengal/status/1442384724152840192?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1442384724152840192%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Ftv9bangla.com%2Fkolkata%2Fbhabanipur-by-election-election-commission-seek-report-on-bhwanipore-case-425529.html
ইতিমধ্যেই এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন এই ধরণের ঘটনা ঘটল, সাংসদের উপর কেন হামলা হল, তা বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজও চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আপাতত কমিশনের যে রাজ্য অফিস রয়েছে, সেখানেই যাবতীয় ফুটেজ পাঠানো হবে। এরপর কমিশন চাইলে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “মাননীয় দিলীপদা আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতার উপর যে ভাবে হামলা হয়েছে, আমার মনে হয় ফিরহাদ হাকিমের একটু হলেও অনুশোচনা হওয়া দরকার ছিল। অবশ্য যদি উনি বাংলার সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করেন। যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা পূর্ব পরিকল্পিত। না হলে এত লোক এই কোভিড পরিস্থিতিতে কী ভাবে একসঙ্গে জড়ো হল”?
আরও পড়ুন- মমতার পর এবার মদন, বিজেপি কর্মীদের ‘কুকুর’ বলে সম্বোধন করলেন তৃণমূল বিধায়ক
এই ঘটনায় ফিরহাদ হাকিম বলেন, “কেউ কোথাও আটকায় না, কেউ কোথাও গুরুত্বই দেয় না। এরা পাত্তাই পায় না। এদের তো মানুষই গ্রহণ করছে না। কিছু নেতা উল্টোপাল্টা বকছে। সেই পুরনো ধারা। কোথাও সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা, কোথাও ব্যক্তিগত আক্রমণ। সেই জন্য কিছু কিছু জায়গায় মানুষ বিশেষত বীতশ্রদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করছে। কেউ আটকাবে ওদের। বিজেপি খায় না মাথায় দেয়? এই তো ঘুরে বেড়াচ্ছে। অটোয় ঘুরে ঘুরে বলছে, মানুষ হাসছে। এগুলোর কোনও দামই নেই। নিজেদের দাম বাড়ানোর চেষ্টায় এসব করছে”।






