সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর ভোটের প্রাক্কালে এবার বাংলার নিরাপত্তা নিয়ে বেশ তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো শুরু হয়েছে। এবার এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল কমিশন। এর আগে রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে কোথায় কীরকম হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে এবার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।
আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। এর আগেই সমস্ত জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার ঘটনার রিপোর্ট করা হয়। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই লোকসভা ভোটে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হবে বলে পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও পাঁচ রাজ্যে ভোটের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই পাঁচ রাজ্য হল বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র। পশ্চিমবঙ্গের জেনারেল স্পেশাল অবজার্ভার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে উত্তর প্রদেশের ১৯৮৬ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার অলোক সিনহাকে। সূত্রের খবর, অলোক সিনহা রাজ্যে এসেই নাকি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের আধিকারিকদের একপ্রস্থ ‘ক্লাস’ নিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে পাওয়া রিপোর্ট ও কমিশনের নিজস্ব রিপোর্টের মধ্যে বিশাল তফাৎ। সেই কারণে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করছেন অলোক সিনহা, এমনটাই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বিশেষ পর্যবেক্ষক স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেখানে যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড রয়েছে, তাদের ৩ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।
দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করাতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেই কারণে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আন্তর্জাতিক সীমানা এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। বেআইনি অর্থ, মাদক পাচার বা আমদানি বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে। আর এবার বাংলা থেকে হিংসার রিপোর্ট তলব করল কমিশন।






