ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া থেকে নবানান সতর্কমূলক পদক্ষেপ, সবই বৃথা। শেষমেশ ফাঁস হয়েই গেল মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র। প্রথমদিন বাংলা পরীক্ষায় কোনও গোলযোগ না হলেও আজ, দ্বিতীয় ভাষা অর্থাৎ ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগেই ফাঁস হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সেই প্রশ্নপত্র। তবে এই প্রশ্নপত্র আসল কী না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
গতকাল, ৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রত্যেকবারের মতো এবারও প্রশ্ন ফাঁস হওয়া রুখতে নানান কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিছু জেলার বেশ কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।
আজ, মঙ্গলবার বেলা পৌনে এগারোটা নাগাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ইংরাজির প্রশ্ন। বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রশ্নের কয়েকটি অংশ। দেখা যাচ্ছে, আনসিন প্যাসেজ, গ্রামারের বেশ কিছু প্রশ্ন। তবে এটিই এবছরের মাধ্যমিকের প্রশ্ন পত্র কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পরীক্ষার শেষেই তা জানা যাবে। তবে পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রটি ভুয়ো।
২০২০ সালে শেষ মাধ্যমিক হয়েছিল। সেবারও একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছিল প্রশ্নপত্র। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারের মাধ্যমিকের জন্য রাজ্যের কিছু এলাকাকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হল না।
হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ফাঁস রুখতে পরীক্ষার দিনগুলিতে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩.১৫ পর্যন্ত ওইসব এলাকায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করছে রাজ্য সরকার সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর অনুযায়ী, মূলত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার একাধিক ব্লকে ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, বীরভূম এবং দার্জিলিং। হবে ৭-৯ মার্চ, ১১ এবং ১২ মার্চ, ১৪-১৬ মার্চও পরিষেবা নিয়ন্ত্রিত থাকবে।





