Explosive claim of the wife of goods train assistant loco pilot: চোখের সামনে এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটতে দেখেছেন। নিজের পাশে বসা চালককে মৃত্যুর সঙ্গে মিশে যেতে দেখেছেন। ফলে মানসিকভাবে খুবই আঘাতগ্রস্ত তিনি। হাসপাতালের বেডে শুয়ে বারবার চমকে উঠছেন, কেঁদে ফেলছেন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় আহত মালগাড়ির সহকারী চালক মনু কুমার। এবার বিস্ফোরক কিছু কথা জানালেন সেই সহকারী চালকের পরিবার (Explosive claim of the wife of goods train assistant loco pilot)।
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় ধাক্কা দেওয়া মালগাড়ির লোকো পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সহকারী লোকো পাইলট। গতকাল, বুধবার তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তবে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেন নি গৌতমবাবু।
চিকিৎসকরা জানান, মনু কুমার শারীরিকভাবে যতটা না অসুস্থ, মানসিকভাবে আরও বেশি আঘাতগ্রস্ত তিনি। মাঝেমধ্যেই আতঙ্কিত হয়ে উঠছেন তিনি। ঘুম ভাঙলেই মালগাড়ির চালকের খোঁজ করছেন। থেকে থেকেই কেঁদে উঠছেন তিনি। এমন অবস্থায় দুর্ঘটনা সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন করা যাবে না ওই সহকারী চালককে, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসক।
এদিন হাসপাতাল থেকে সূর্য সেন কলোনিতে মনু কুমারের বাড়িও যান গৌতম দেব। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের সামনে মনু কুমারের স্ত্রী বিস্ফোরক দাবী করে বলেন, “দিন দিন ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে ও চালকের সংখ্যা কমছে। এর ফলে চালক ও সহকারী চালকদের একটানা ৪৮ – ৭২ ঘণ্টা ডিউটি করতে বাধ্য করছেন রেলের আধিকারিকরা। দিনের পর দিন বিশ্রামের অভাবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন” (Explosive claim of the wife of goods train assistant loco pilot)।
মনু কুমারের বাবাও জানিয়েছেন, “রেলের চালক ও সহকারী চালকরা কোনও ছুটি পান না। আধিকারিকরা তাদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যাবহার করেন। যা মানসিক নির্যাতনের নামান্তর। রেলের আধিকরিকরা চালকদের মানুষ বলে মনে করেন না। টানা ২ দিন ডিউটি করে বাড়ি ফিরে ঘুমালে মাঝ রাতে ফোন করে ডিউটিতে ডেকে পাঠান (Explosive claim of the wife of goods train assistant loco pilot)। না যেতে চাইলে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন আধিকারিকরা। বলেন, এত রাতে কি বউয়ের সঙ্গে রোম্যান্স চলছে”?
এসব শোনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেন গৌতম দেব। বলেন, “রেল যে কত বড় অমানবিক তা বোঝাই যাচ্ছে। কারণ একজন জীবিত মানুষকে তারা মৃত বানিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রে একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন সরকার চলছে। তাই নিরীহ মানুষকে মরতে হচ্ছে। মন্নুর পরিবারের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাদের পাশে আমরা রয়েছি। সবরকম সহযোগিতা করা হবে তাদের” (Explosive claim of the wife of goods train assistant loco pilot)।





