বিয়ের পর থেকেই অশান্তি চলছিল। স্বামীর ঘর ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে আইনত বিচ্ছেদ হয়নি। কিন্তু তাও দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন মহিলা। সেই বিয়ের আসরেই উপস্থিত হয়ে দলবল নিয়ে তাণ্ডব শুরু করে প্রথম স্ত্রী।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটালের কিশোরচকে। জানা গিয়েছে, ওই এলাকার এক তরুণীর বিয়ে হয় আড়াই বছর আগে। পাত্র ঘাটালের গড়প্রতাপের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দলুই। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় অশান্তি। বিয়েতে কোনওভাবেই সুখী ছিলেন না ওই তরুণী।
অভিযোগ, বিয়ের পর তরুণীর উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত স্বামী। অনেকবার মিটমাট করার চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু বারবারই তা ব্যর্থ হয়। অবশেষে বাপের বাড়িতেই চলে যান ওই তরুণী। দুজনে আলাদা থাকতে শুরু করেন। তবে দু’জনের আইনত বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি।
এরই মধ্যে সম্প্রতি বিয়ে স্থির হয় ওই তরুণীর। পাত্র ঘাটালের বনহরিসিংপুর গ্রামের এক বাসিন্দা। গত শনিবার ছিল বিয়ে। সেকথা জানতে পারেন তরুণীর প্রথম স্বামী। সন্ধ্যেবেলা তখন তরুণীর সাজগোজ হয়ে গিয়েছে। আমন্ত্রিতরাও আসতে শুরু করে দিয়েছেন। বর তখনও আসেনি। এরই মধ্যে বিয়ের মণ্ডপে উপস্থিত হয় তরুণীর প্রথম স্বামী।
জানা গিয়েছে, পনেরো-কুড়িজনকে নিয়ে বিয়েবাড়ি আসেন ওই ব্যক্তি। কনেপক্ষের সঙ্গে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। তরুণীকে জোর করে নিজের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে ওসি শঙ্খদীপ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। এরপর পুলিশি প্রহরার মধ্যেই বিয়ে হয় ওই তরুণীর। তবে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না হওয়া সত্ত্বেও অন্য একজনের সঙ্গে কীভাবে ঘর বাঁধলেন তরুণী, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন!





