২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছিলেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। এর মাঝে কেটে গিয়েছে ৩টে বছর। গত সপ্তাহেই ফের নিজের পুরনো দলে ওয়াপসি করেছেন ব্যারাকপুরের সাংসদ। অর্জুনের তৃণমূলে (TMC) যোগ দেওয়ার পর থেকেই ব্যারাকপুরের শিল্পাঞ্চল এলাকায় শুরু হয়েছে নানান হট্টগোল। এমন আবহে এবার বেশ ব্যারাকপুরের (Barrackpore) কয়েকশো তৃণমূল কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে।
অর্জুন তৃণমূলে ফেরার পরই ব্যারাকপুরে বিজেপি যে একটু দুর্বল হয়েই পড়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। সেই ঘাঁটি শক্ত করতেই তড়িঘড়ি ব্যারাকপুরে বিজেপির দায়িত্ব দেওয়া হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। আর এরপরই ঘটল উলটপুরাণ। শ’য়ে শ’য়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে।
বাংলায় বিজেপি নেতাদের মধ্যে অর্জুন সিং ছিলেন অন্যতম। কিন্তু সেই অর্জুন সিংই তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় দলের সাংগঠনিক স্তরে রদবদল করতে চলেছে বিজেপি। এতদিন বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ছিলেন সৌমিত্র খাঁ। তবে এবার তাঁকে দেওয়া হল বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব।
শ্রমিকদেরই হাতিয়ার করে এগিয়েছেন অর্জুন সিং। পাট শ্রমিকদের সমর্থন পাচ্ছিলেন তিনি। এই পাট শিল্প নিয়ে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে বিরোধিতায় জড়ান অর্জুন। শ্রমিকদের মধ্যেও দলবদলের একটা আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল বটে। তা যাতে রোখা যায়, সেই কারণেই সৌমিত্রকে শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব দিল বিজেপি।
অর্জুন সিং বিজেপি ছাড়ার পর দলের মধ্যে যাতে দুর্বলতা তৈরি না হয়, সেই কারণেই যে কয়েকশো তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে বিজেপিতে যোগদান করানো হল, তা বলাই বাহুল্য। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পদক্ষেপ বিজেপির জন্য ইতিবাচক হতে পারে।






