রাজ্যপালের পদ হারাচ্ছেন জগদীপ ধনখড়, নতুন রাজ্যপাল কে হতে পারেন, বাড়ছে জল্পনা!

রাজ্য সরকারের সঙ্গে যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের একটি সংঘর্ষ লেগেই রয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে চলেছেন তিনি। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও বারংবার সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। নারদকাণ্ডে মমতার সিবিআই দফতরে গিয়ে বসে থাকা নিয়েও তিনি সমালোচনা করেছেন। বারবার হুমকি দিয়েছেন রাজ্যে ৩৫৬ ধারা চালু করার। এবার এই জগদীপ ধনখড়কেই তলব করল কেন্দ্র।

গতকাল রাতেই দিল্লি পৌঁছেছেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, আগামীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তিনি। গোপন সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যপালের পদ থেকে অপসারিত হতে পারেন ধনখড়। আসলে, তিনি রাজ্যে যেভাবে কাজ করছেন, তাতে মোটেই খুশি নয় কেন্দ্র।

আরও পড়ুন- কাকিমার সঙ্গে ‘অবৈধ’ সম্পর্ক বিজেপি নেতার, জামাইষষ্ঠীর দিন শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন স্ত্রী 

এদিকে একুশের নির্বাচনের পর মোদীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন মমতা। কেন্দ্র-রাজ্যের সংঘর্ষ এখন তুঙ্গে। এই অবস্থায় বাংলার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। এতে রাজ্যপালের আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছে কেন্দ্র।

রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও জগদীপ ধনখড়ের আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া এমনও জানা গিয়েছে, রাজভবনে নিয়োগকে ঘিরে ধনখড়ের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগও উঠেছে। এই সমস্ত কারণেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে কেন্দ্র।

তবে কেন্দ্র এ নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও, একটি সূত্রের খবর, কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান হতে পারেন রাজ্যের পরবর্তী রাজ্যপাল। রণনীতির দিক দিয়ে আরিফ মহম্মদ বেশি চরমপন্থি। কেরলে ইতিমধ্যেই বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। শাহ বানো মামলায় কংগ্রেসের বিরোধিতা করে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন তিনি। এরপর যোগ দেন বিজেপিতে।

আরও পড়ুন- মীনাক্ষীর ফেসবুক পেজ থেকে একের পর এক বাম বিরোধী পোস্ট! তড়িঘড়ি হচ্ছে ডিলিট

সরকারের তিন তালা বিরোধী আইন, সংখ্যালঘু ও নাগরিকত্ব আইনকে সমর্থন করেন আরিফ মহম্মদ। তাই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে আসীন করলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বার্তা দেওয়া যাবে বলে মত কেন্দ্রের। তবে এমনটা হল রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত আরও বাড়ার সম্ভাবনা। তবে আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, জগদীপ ধনখড় বদলি হচ্ছেন না। রাজ্যের বর্তমান আইন পরিস্থিতি নিয়ে ক্তঘা বলার জন্যই জগদীপ ধনখড়কে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।

RELATED Articles