কোচবিহারের শীতলকুচির পর এদিন নন্দীগ্রামে ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতির ছবি দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আর তা দেখে চোখের জল সামলে রাখতে পারলেন না তিনি।
আজ অর্থাৎ শনিবার নন্দীগ্রামের চিল্লাগ্রামে নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চোখের জল ফেলেন রাজ্যপাল।
আরও পড়ুন-রাত গ্যায়ি বাত গ্যায়ি? বিজেপির একাধিক বৈঠকে আসছেন না বেশিরভাগ পরাজিত প্রার্থী!
তৃতীয় দফায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারে আসার পর মনে করা হয়েছিল এবার হয়তো কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হতে পারে রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্ক। কিন্তু সে গুড়ে বালি। এদিনও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসনকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেন রাজ্যপাল l
এদিন নন্দীগ্রামে রাজ্যপালের অভ্যর্থনায় উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গেই নন্দীগ্রামের একাধিক হিংসা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। শুভেন্দু গড়ে পৌঁছে প্রথমেই কেন্দামারি কালীনগর পরিদর্শন করেন তিনি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওই অঞ্চলে কী ভাবে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন তা ঘুরে দেখেন। কথা বলেন আক্রান্তদের সঙ্গে। এর পর চিল্লাগ্রামে নিহত বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতির বাড়িতে যান তিনি। সেখানে সন্তানহারা মা রাজ্যপালকে দেখে কাঁদতে কাঁদতে সংজ্ঞা হারান। আর তাঁর অবস্থা দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ধনখড়ও।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যপাল। রীতিমতো ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, বিরোধীরা যে রাজ্যে আক্রান্ত সেখানে গণতন্ত্র বিপন্ন। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেই এই ধরণের হামলা বারবার হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো হিংসা বন্ধে উনি তৎপর হোন।





