মহামারীর দ্বিতীয় বছর প্রথমের চেয়ে আরও ভয়ঙ্কর। ইতিমধ্যেই তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ভারত। প্রথম ঢেউয়ের পর যে গা ঢিলেমি আমজনতা থেকে সরকার গিয়েছিল তারই ফল ভোগ করছে এখন ভারত। গোটা দেশজুড়ে এখন হাহাকার ব্যতীত আর অন্য কিছু নেই। অমিল ওষুধ, প্রতিষেধক, অক্সিজেনের।
আর এই অবস্থায় বিশ্বকে সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেসাস শুক্রবার বলেন যে, ভারতের করোনা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক, কিছু রাজ্যের সংক্রমণ বীভৎস রূপ নিচ্ছে।
আরও পড়ুন-করোনা যুদ্ধে ময়দানে দাদার সৈনিকরা! সৌরভের নেতৃত্বে রাজ্যের ৮ জেলায় চালু হচ্ছে কোভিড কেয়ার সেন্টার
ভারতের প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। কার্যত মৃত্যু মিছিল চলছে। এরপরই তিনি সতর্ক করে বলেন, মহামারীর দ্বিতীয় বছর প্রথম বছরের চেয়ে মারাত্মক হবে। সুতরাং মানুষকে আরও সতর্ক হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয় করোনারি বিরুদ্ধে লড়তে ভারতকে সব রকম সহায়তা করা হয়েছে। অক্সিজেন কন্সেন্ট্রেটর, অস্থায়ী হাসপাতালের জন্যে হাজার হাজার মাস্ক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করছে। এদিন তিনি ভারতে সাহায্য করার জন্যে অন্যান্য দেশকে ধন্যবাদও জানান।
আরও পড়ুন-গুরুতর উপসর্গ থাকা রোগীদের RT-PCR পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ভারত সহ গোটা বিশ্বে এই মারণ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮১৩ জনের। ভারতবর্ষে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। বৃহস্পতিবারের তুলনায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। বৃহস্পতিবার ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭২৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাও কমেছে। যদিও তা রয়েছে ৪ হাজারের গণ্ডিতেই। বৃহস্পতিবার যেখানে ৪ হাজার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে শুক্রবার ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সুস্থতার হার। বৃহস্পতিবার ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ১৮১ জন মানুষের সুস্থতার খবর এসেছিল। শুক্রবার জানা গেল গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৭৬ জন সুস্থ হয়েছেন।





