এমনিতেই তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জলঘোলা কম হচ্ছে না, এরই মাঝে ফের জিতেন্দ্র তিওয়ারির একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে ফের একবার তৈরি হল বিতর্ক। নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই ফের তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তিনি আবার নিজের পুরনো দায়িত্ব ও ক্ষমতা ফিরে পাবেন কী না, এ নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।
গতকালই তিনি একটি পোস্ট করে যাতে লেখা ছিল, “রাজনীতিতে ফুলস্টপ বলে কিছু হয় না। এতে কমা, কোলন, সেমিকোলন রয়েছে”। তাঁর এই হেঁয়ালি ভরা পোস্ট নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী বা তাঁর পরের গন্তব্য আদৌ কোথায়, এ নিয়ে কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ই ডিসেম্বর তিনি রাজ্যের পুরমন্ত্রীর উপর একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দলের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ এনে তিনি পশ্চিম বর্ধমান জেল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ডেকে পাঠালেও তিনি দেখাঁ করেননি। এই অবস্থায় সকলেই মনে করেছিল, তিনি হয়ত ১৯শে ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেলা ঘুরে যায়।
১৮ই ডিসেম্বর তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি জানান যে, তিনি কোথাও যাচ্ছেন না। তিনি নাকি তৃণমূলেই থাকবেন। তাঁর পদত্যাগপত্র যাতে তৃণমূলের তরফ থেকে গ্রহণ না করা হয়, সেইজন্য আবেদনও করেন তিনি। কিন্তু এরপর কয়েকদিন কেটে গেলেও, তৃণমূলে তাঁর নির্দিষ্ট স্থান এখনও পরিষ্কার হয়নি। তবে, তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, নতুন বছরেই, একেবারে নতুন উদ্যোমে মাঠে নামবেন তিনি।
এসবের মধ্যেই ফের একবার জল্পনা তৈরি করল জিতেন্দ্র তিওয়ারির ফেসবুক পোস্ট। এবার প্রশ্ন উঠছে যে, তিনি কী তাঁর পুরনো পদ ফেরত পাবেন? নাকি তাঁকে দেওয়া হবে আরও বড় কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদ? যদিও এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে কাউকেই দলের জেলা সভাপতি নির্বাচন করা হয়নি। আবার জিতেন্দ্রর ঘনিষ্ঠমহল তাঁর ছবি দিয়ে পোস্ট করে লিখছে, “টাইগার ইস ব্যাক”। কিন্তু তা কীভাবে ও কবে, এ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।





