নেতা মন্ত্রীদের মুখে শালীনতা হারাচ্ছে বাংলা ভাষা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কি হয় কি হয় পরিস্থিতিতে নাগাড়ে চলছে শাসক-বিরোধী তরজা।
বাড়ছে উত্তাপ, চরছে পারদ! লাগামহীন ভাষায় একে অপরকে দেদার আক্রমণ করছেন নেতা-মন্ত্রীরা। কখনও সৌগত, কখনও কল্যাণ, বা কখনও দিলীপ-শুভেন্দু নোংরা ভাষায় বিপক্ষকে আক্রমণ করতে আপস করছেন না কেউই।
যেমন গতকাল অর্থাৎ শনিবার অর্জুন সিংহের গড় বলে পরিচিত উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় সভা করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই স্থানীয় বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহকে বেলাগাম কটাক্ষ করেন কল্যাণ।
বক্তৃতা রাখতে গিয়ে ওই সভা থেকে বলেন, “ও চোলাই খেয়ে থাকে, আমি এসেছি তাতেই অস্বস্তিতে পড়েছে, এখানে পাপ্পুকে বলে দিলেই হবে, ওই অর্জুনকে সামলে দেবে।”
ভোটের আগে আবার অর্জুন সিংহকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেছেন, “আমি একদিন গিয়েছি তাতেই ভয় পেয়েছে, নার্ভ ফেল করেছে, সাতদিন গেলে হার্ট ফেল করবে, আমি রাজনৈতিক মোকাবিলা করব।”
তবে প্রাক্তন সতীর্থের মুখে একথা শুনে পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেননি তৃণমূল ত্যাগী বর্তমান বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহ! বলেন, “ওঁকে মাতাল বলব, মমতা-অভিষেক কিছু করতে পারল না, সরকারে থাকলে অনেক কিছু বলা যায়।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে ব্যারাকপুর আসন থেকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদীকে হারিয়ে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহ।
এমনকি অর্জুন সিংহের ছেড়ে যাওয়া ভাটপাড়া বিধানসভার উপনির্বাচনেও তৃণমূলের মদন মিত্রকে হারিয়ে দেন অর্জুনপুত্র পবন।





