‘ভাই হিসেবে আগলে রাখতে পারিনি, বাঁচাতে পারিনি’, তিলোত্তমার ন্যায় বিচারের দাবী চেয়ে ভাইফোঁটায় বড় সিদ্ধান্ত কিঞ্জলের

আজ ভাইফোঁটা। এই শুভ দিনে দিদি-বোনেরা ভাই-দাদাদের কপালে দই-চন্দনের ফোঁটা দিয়ে তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তেমনই আবার দিদি-বোনদের রক্ষা করার অঙ্গীকারবদ্ধ হন ভাই-দাদারা। তবে আর আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ কিঞ্জল নন্দের মতে, তিনি বোনকে রক্ষা করার দায়িত্বে ব্যর্থ। সেই কারণে ভাইফোঁটায় বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

কিঞ্জলের কথায়, আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে রক্ষা করতে পারেন নি তিনি। প্রাণ বাঁচাতে পারেননি তাঁর। সেই কারণে তিলোত্তমার ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তিনি ভাইফোঁটা নেবেন না বা রাখি পরবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিলেন। ভাইফোঁটার দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিঞ্জল লিখলেন, “ভাই হিসেবে আগলে রাখতে পারিনি, বাঁচাতে পারিনি। যতদিন বিচার না পাব, ভাইফোঁটা নেব না, রাখীও পরব না। সেই যোগ্যতা হারিয়েছি”।

কিঞ্জলের এই পোস্ট নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। নানান মানুষ নানান কমেন্ট করেছেন এই পোস্টে। কেউ লিখেছেন, “ভেবেছিলাম গণকনভেনশনের মতো আজ একটা গণভাইফোঁটা অনুষ্ঠান হবে। যাইহোক সাবধানে থাকিস তোরা ভাই”। আবার কেউ লিখেছেন, “আমি বলবো,আরো রাখী পড়,আরো ফোঁটা নে। একটা বাহিনী বানা বোনেদের নিয়ে। তারাই পারবে তোর লড়াইকে সফল করতে। লড়াই করতেই ত যৌথ অবস্থানের দরকার। আর সেইটাই তো আল্টিমেট শক্তি”।

বলে রাখি, গত ৯ আগস্ট আর জি করের সেমিনার রুমে এক তরুণী চিকিৎসকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল তাঁকে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে দীর্ঘদিন কর্মবিরতি পালন করেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এই আন্দোলনের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে নানান স্তরের মানুষের মধ্যে। চলেছে আন্দোলন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ।

আরও পড়ুনঃ আর হাজিরায় ফাঁকি দিতে পারবেন না শিক্ষক-শিক্ষিকারা, হাজিরায় কড়াকড়ি করে এবার বিশেষ অ্যাপ আনল প্রশাসন

ন্যায় বিচারের দাবীতে দীর্ঘদিন অনশনও করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন কিঞ্জল নন্দ। তবে কাজে যোগ দিলেও আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসেন নি তারা। এবার ভাইফোঁটায় এমন এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিলেন কিঞ্জল নন্দ।

RELATED Articles