আজ ফের শুনানি নারদ মামলায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে শুনানি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে চলছে শুনানি।
গত বুধবারও এই মামলায় শুনানি চলে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। কিন্তু সেদিন কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি হাইকোর্ট। এরপর গতকাল কোনও এক অজ্ঞাত কারণে বন্ধ ছিল শুনানি। আজ ফের শুনানির দিন হেভিওয়েট চার নেতামন্ত্রীর।
শুনানি এখনও সম্পূর্ণ না হলেও, জানা গিয়েছে অভিযুক্ত চার নেতামন্ত্রীকে গৃহবন্দী থাকার প্রস্তাব দিয়েছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। করোনা পরিস্থিতি ও নেতামন্ত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এমন প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সম্পূর্ণ শুনানি হতে এখনও বাকী। অভিযুক্ত চার নেতামন্ত্রীদের বাড়ির সামনে সিবিআই এর তরফে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
অভিযুক্তদের তরফের আইনজীবী মনু সিংভি জানান যে গৃহবন্দীর প্রস্তাবে তিনি হতবাক। হাইকোর্টের এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা। এছাড়াও বৃহত্তর বেঞ্চে এই মামলার শুনানির প্রস্তাব দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে আপাতত দুই বিচারপতির বেঞ্চ-এ শুনানি চলছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবারই নারদ কাণ্ডে রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র, ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। নারদ মামলায় অভিযুক্ত চার নেতামন্ত্রীদের গত সোমবারই শুনানি হয় ব্যাঙ্কশাল কোর্টের নিম্ন আদালতে। জামিনও পেয়ে যান তারা। কিন্তু এরপরই রাতে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে সেই জামিনে স্থগিতাদেশ জারি হয় এবং জেলে কাটাতে হয় চার অভিযুক্তদের।





