ফের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। রাজ্যের তরফে তাদের দাবী মেনে নেওয়া হয়নি। সেই কারণে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে ফের কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দিয়েছেন। আর এই নিয়ে এবার ফের একবার জুনিয়র চিকিৎসকদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, জুনিয়র চিকিৎসকদের এই কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও থ্রেট কালচার।
আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর থেকেই উত্তাল রাজ্যের পরিস্থিতি। এই ঘটনায় সুবিচারের দাবীতে আন্দোলন শুরু করে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রায় ৪৬ দিন কর্মবিরতি করেছেন তারা। সরকারের তরফে তাদের কিছু কিছু দাবী মেনে নেওয়া হলে আংশিক কর্মবিরতি তুলে জরুরি পরিষেবার কাজে সবেমাত্র ফিরেছিলেন তারা।
কিন্তু এরই মধ্যে গত শুক্রবার সন্ধ্যেয় সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীমৃত্যুর ঘটনায় রোগীর পরিবারের লোকজন মারধর করে জুনিয়র চিকিৎসক-স্বাস্থ্য কর্মীদের। সেই ঘটনার প্রতিবাদে পূর্ণ কর্মবিরতির ডাক দেন ওই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। এরপর গতকাল, শনিবার স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের সদস্যদের তরফে ঘোষণা করা হয়, আগামী সোমবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আর জি কর মামলার শুনানিতে যদি রাজ্য সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সদর্থক সিদ্ধান্ত না জানায় বা সোমবার বিকেলের মধ্যে যদি রাজ্যের তরফে সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না করা হয়, তাহলে তারা ফের পূর্ণ কর্মবিরতি শুরু করবেন।
জুনিয়র চিকিৎসকদের এই ঘোষণা প্রসঙ্গেই তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “আবার কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি। তদন্তে সিবিআই, মামলা সুপ্রিম কোর্টে। পুজো সামনে। কর্মবিরতির হুমকি। থ্রেট কালচার নয়”?
আরও পড়ুনঃ ‘ডাক্তারদের বিচার চাই…’, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, সন্তান প্রসবের পর মৃত্যু প্রসূতির, হাসপাতালে ধর্নায় মৃতার পরিবার
তৃণমূল নেতার আরও সংযোজন,”পরিকাঠামো উন্নত হয়েছে, আরও কাজের চেষ্টা চলছে। তবু, আবার কর্মবিরতি? কারা, কেন, কাদের কথায়, কাদের মদতে এই অস্থিরতা চাইছে”? ফের কী তাহলে এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলকে জুরতে চাইছেন কুণাল ঘোষ?






