Kunal Ghosh in tears: ২৪ ঘণ্টা আগেই তাঁর রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ ছিনিয়ে নিয়েছিল তৃণমূল। আর এবার কুণাল ঘোষকে আরও বেশি কোণঠাসা করল দল। সব জায়গা থেকেই বাদ দেওয়া হল কুণালের নাম। তাঁকে একেবারেই বাদ দেওয়া হল বলা যায়। এই ঘটনায় কেঁদে ফেললেন তৃণমূল নেতা (Kunal Ghosh in tears)।
গতকাল, বুধবারই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের প্রশংসা করতে শোনা গিয়েছিল কুণাল ঘোষকে। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করা হয় কুণাল ঘোষকে। এরপর থেকে দলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দেন কুণাল। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে দলের নানান গোপন তথ্যও ফাঁস করতে থাকে (Kunal Ghosh in tears)। আর এবার আরও বড় সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল।
আজ, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের পঞ্চম দফার তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে মোট ৪০ জনের। রয়েছে দেব, অদিতি মুন্সি, সায়ন্তিকা, সোহমের নাম। তবে সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে কুণালের নাম। তাতেই বেশ বিষাদ হয়ে যায় কুণালের মন (Kunal Ghosh in tears)।
এদিন কলকাতার রাস্তায় নিজের অনুগামীদের পাশে পেয়ে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh in tears)। সাফ জানিয়ে দেন, “কুণাল ঘোষের কোনওদিন পদ লাগেনি। পদ নয় পথে আছি। তৃণমূলের কর্মী ছিলাম, থাকব। আজ না হয় কাল মমতাদি-অভিষেক বুঝবেন, অনুধাবন করবেন। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে দলটা চালিয়ে যাব”।
তালিকা থেকে বাদ পড়ার প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বাদ দিলে যে দলে শুভেন্দুকে চোর বলতে যাঁদের পাঁচবার ভাবতে হয়, তিনবার বাথরুমে যেতে হয়, তাদের আবার তালিকা কীসের! তাঁরা তারকা হলে ভালো। আমার কোন আফশোস নেই। ভালোই হয়েছে গরমে ঘোরাঘুরি থেকে বেঁচে গিয়েছি” (Kunal Ghosh in tears)।
কুণালের কথায় (Kunal Ghosh in tears), “আমি বা আমার মতো দু’একজন সব কিছু পিছুটান ভুলে, পিছন দিকে না তাকিয়ে অল আউট অ্যাটাক করতাম। তা দলের যদি মনে হয় এ সব দরকার নেই, দল বুঝবে! যারা চালাচ্ছে তারা বুঝবে”।
এদিন কুণালের পাশে দাঁড়ালেন শান্তনু সেন। তাঁর কথায়, “বিগত কয়েক বছরে দল যখন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছে তখন শান্তনু সেন বা কুণাল ঘোষ, আমাদের মতো হাতেগোনা কয়েকজন আগু-পিছু না ভেবে দলের হয়ে বলে গিয়েছি, দলকে ডিফেন্ড করে গিয়েছি। বিরোধীদের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছি। একটা মানুষের এক দুদিনের মন্তব্যের জন্য তাঁর অতীতের যে দলের প্রতি যে অবদান সেটা কিন্তু হঠাৎ শূন্য হয়ে যায় না”।





