‘উল্টোরথে উপোস করে দুর্বল হয়ে পড়েছেন’, ইডি-র তলবের পর সায়নীর আচমকা ‘গায়েব’ হয়ে যাওয়া নিয়ে সাফাই কুণালের

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। ইডি তলব করার পর থেকেই কার্যত ‘গায়েব’ অভিনেত্রী তথা তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। আগামীকাল, শুক্রবার তিনি ইডি-র দফতরে হাজিরা দেবে কী না, তা নিয়ে ধন্ধ তৈরি হয়েছে। ইডির তলবের পর একাধিক কর্মসূচি বাতিল করেছেন সায়নী। বাড়িতেও নাকি নেই তৃণমূল নেত্রী। তাহলে গেলেন কোথায়? এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

গত এক বছরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক শাসক দলের নেতানেত্রীদের নাম জড়িয়েছে। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি। নাম জড়িয়েছে শিক্ষা দফতরের একাধিক আধিকারিকের। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের প্রাক্তন যুবনেতা কুন্তল ঘোষের সূত্র ধরেই তদন্তে উঠে এসেছে সায়নীর নাম।

সূত্রের খবর, কুন্তলের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তদন্ত করার সময়ই অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগসূত্রের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে দাবী ইডি-র। কয়েকটি সম্পত্তি কেনাবেচার ঘটনায় তৃণমূলের যুবনেত্রীর নাম জড়িয়েছে বলে জানা গেছে। আগামীকাল, শুক্রবার বেলা ১১ টায় বেশ কিছু নথি নিয়ে সায়নীকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, কুন্তলের সঙ্গে তাঁর কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা।

কিন্তু ইডির নোটিশের পর থেকেই খোঁজ মিলছে না সায়নীর। এই প্রসঙ্গে এবার কুণাল ঘোষ বললেন, “রথ, উল্টোরথ গেল, উপোস ছিল হয়ত, বলতে পারব না। জগন্নাথ দেবের পুজোর ব্যাপার আছে”। দলের কর্মসূচিতে নেই কেন সায়নী? কুণালের জবাব, “উপোস করে যদি দুর্বল লাগলে জেলায় গিয়ে হাঁটবেন নাকি! আমার সঙ্গে কথা হয়নি। তবে আমার ধারনা উল্টোরথে উপোস করেছিলেন, দুর্বল আছেন”।

এর পাশাপাশি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের তত্ত্বও তুলেছেন কুণাল। তাঁর দাবী, সায়নীকে যে সময়ে তলব করা হল, সেই সময়টাই বলে দিচ্ছে যে এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কুণালের কথায়, ভোটের মুখে কখনও অভিষেককে ডাকা হচ্ছে, কখনও তাঁর স্ত্রী-কে ডাকা হচ্ছে, কখনও শাসক দলের নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আরও অন্যান্য খবর