Madan Mitra Made Controversial Comment on Recruitment Scam: রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি তো ছিলই। সেই নিয়োগ দুর্নীতিতে আপাতত জেলবন্দি রাজ্যের মন্ত্রী, নেতারা। জেল খাটছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। আর এই শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়েই উঠে এসেছে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির দিকটিও। এবার এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra Made Controversial Comment on Recruitment Scam)।
রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এই দুর্নীতির তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সম্প্রতি এই পুর নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে নাম উঠেছে রাজ্যের নানান পুরসভায়। সবথেকে বেশি দুর্নীতি হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে ওই পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়ের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন তিনি।
শুধুমাত্র দক্ষিণ দমদমই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটি ও আরও নানান পুরসভার। এই কামারাহাটি পুরসভা পড়ে কামারহাটি বিধানসভার মধ্যেই। সেখানকার বিধায়ক মদন মিত্র। ফলে কামারহাটি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে মদন বলেন, “আমি এমন একজন বিধায়ক জীবনে পুরসভার ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করিনি। নাকও গলায়নি। এটা আমার বিষয় নয়” (Madan Mitra Made Controversial Comment on Recruitment Scam)।
একজন বিধায়ক হয়ে এলাকার পুরসভায় কী ঘটছে না ঘতছে,তা দেখা কী তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে সত্যিই পড়ে না (Madan Mitra Made Controversial Comment on Recruitment Scam)? মদনের কথায়, তিনি খুব বেশি হল কোথাও ময়লা জমে থাকলে, নোংরা থাকলে বা জল জমা নিয়ে কথা বলেন। এর বাইরে কোনও বিষয় নিয়ে তিনি পুরসভাকে কিছু বলেন না।
তৃণমূল বিধায়কের কথায়, “পুরনিয়োগ নিয়ে আমি কিছু বলতেই পারব না। যদি কোনও বেআইনি হয়ে থাকে তা অন্যায়। তবে বেআইনি করে হলেও চাকরি তো হয়েছে। ছেলেরা দু’টো খেতে পাচ্ছে। বেকারত্বের জ্বালা থেকে আমি একটা ফিল করছি” (Madan Mitra Made Controversial Comment on Recruitment Scam)।
যদিও মদনের সংযোজন, “তবে অন্যায়টা অন্যায়ই। আমি একজন বিধায়ক, আমি তো অন্যায়টা ন্যায় বলতে পারি না। তবে আমার কামারহাটি নিয়ে এটুকু বলতে পারি, আমার কাছে আর্থিক লেনদেন নিয়ে কেউ কোনও অভিযোগ করেনি”।





